সিলেটে হামে ১ শিশুর মৃত্যু
প্রকাশিত হয়েছে : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৫০:১৪ অপরাহ্ন
নতুন ভর্তি ১২৬

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটে হামে একদিন মৃত্যুহীন থাকার ফের আরেক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় হাম উপসর্গে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণকারী ৯ মাস বয়সী শিশু রুহুল আমীন মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার বাসিন্দা।এই সময়ে নতুন কেউ হাম শনাক্ত না হলেও নতুন ভর্তি হয়েছে ১২৬ জন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০৭ জন।
রোববার (১ নভেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম।
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১১৫ জনে রয়েছে। জেলাভিত্তিক হিসাবে সিলেটে ৪৪২, হবিগঞ্জে ১৫৮, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি ১২৬ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৩৯, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৫, জালালাবাদ রাগিব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬, নর্থ ইস্ট মেডিকেলে ১, পার্কভিউ মেডিকেলে ১২, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ৩ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২০ জন হাম রোগী ভর্তি হয়েছেন।
বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৫০৭ জনের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬২, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০৫, জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩০, নর্থ ইস্ট মেডিকেলে ৬, পার্কভিউ মেডিকেলে ৩২, সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪, মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে ৫, বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১, বাহুবল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৪ ও মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৩৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের জেলাভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত সিলেটে হাম ও উপসর্গে ২০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে সিলেটে ৭৯, হবিগঞ্জে ২৯, মৌলভীবাজারে ১৬ এবং সুনামগঞ্জে ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে নিশ্চিত হাম রোগে সিলেটে চার, হবিগঞ্জে চার, মৌলভীবাজারে একজন ও সুনামগঞ্জে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে সিলেটে ৮৩, হবিগঞ্জে ৩৩, মৌলভীবাজারে ১৭ এবং সুনামগঞ্জে ৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের ২৪ ঘন্টায় সিলেটে হাম উপসর্গে কারো মৃত্যু না হলেও নতুন ভর্তি হয়েছিলেন ১০৩ জন।






