কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে যুবকের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ৭:০৫:২৭ অপরাহ্ন
কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমা সীমান্তের ওপারে গিয়েছিলেন সাদ্দাম হোসেন নামে এক যুবক। গত ১ এপ্রিল সকালে সেখানে তার বন্ধুদের সাথে যাবার পর আর কোন সন্ধান মিলেনি। বন্ধুরা জানিয়েছেন, খাসিয়ার গুলিতে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে বিজিবি বলছে বিএসএফ এমন কোন তথ্য দেয়নি। কোনো বাংলাদেশী সেখানে আছে বলেও তারা জানায়নি। সাদ্দাম হোসেন উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের লামাগ্রামের কুটু মিয়ার ছেলে।
সাদ্দামের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন গত ১ এপ্রিল সাদ্দাম কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে। এরপর সে আর ফিরে আসেনি। সাদ্দামের সঙ্গে যাওয়া তিন জনের মধ্যে একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দেশে ফিরেছেন। সাদ্দামের বন্ধু আবু বকর জানিয়েছে সাদ্দামকে কোমর ও পায়ে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত সাদ্দামের ভাই নিজাম উদ্দিন বলেন, বুধবার সাদ্দাম বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় মোবাইল সাথে নেয়নি। আমরা ভেবেছিলাম সে হয়তো কোনো আত্মীয়ের বাড়িতে গেছে। পরে জানতে পারি সে ভারতে গিয়েছিল। আমার ভাইকে কোমর ও পায়ে গুলি করে মারা হয়েছে বলে জানিয়েছে তার সাথে থাকা আবু বকর। আমরা বিজিবি ও পুলিশের কাছে লিখিত আবেদন করেছি। এখন অন্তত তার লাশটা ফেরত চাই।
উৎমা বিওপির ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার আবুল কালাম জানান, ভারতীয় বিএসএফ এর সাথে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে। তারা সাদ্দামের বিষয়ে কিছু জানায়নি। এখনো সাদ্দাম যে নিহত হয়েছে তার কোন সঠিক তথ্য পাইনি। তার সাথে যারা ছিলেন তারাও পলাতক রয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান জানান, ৪ এপ্রিল নিখোঁজ সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি আমরা বিজিবিকে জানিয়েছি। এখনো সাদ্দামের কোন খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চড়ারবাজার তুরুং গ্রামের মো. আশিকুর রহমান (২২) ও চড়ারবাজার বরম সিদ্ধিপুর গ্রামের মো. ইয়াকুব উদ্দিন (৩০) নিহত হন। ১৯ জুন সকালে উৎমাছড়া সীমান্তের ১২৫৭ মেইন পিলারের ২০ এস পিলারের ভারতের ভেতর গাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায় জাকারিয়ার লাশ। ১৫ মে বরমসিদ্দিপুর সীমান্তে ভারতীয় নাগরিক খাসিয়ার গুলিতে আব্দুল্লাহ (২৪) নামের এক বাংলাদেশী নিহত হয়।





