মৌলভীবাজারে গণধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ জুন ২০২৬, ৯:১৬:৪৬ অপরাহ্ন
# দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে একটি ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ফেরদৌস হোসেন (৩১) ও কন্নাল মিয়া ওরফে জয়নাল (৩৯) নামে দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি চুরি যাওয়া দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
শুক্রবার জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ৩ জুন ভোররাতে মৌলভীবাজার শহরের উত্তর কলিমাবাদ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্বামী-পরিত্যক্তা এক শ্রমজীবী নারী তার শিশু কন্যাকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় তিনজন দুষ্কৃতকারী কৌশলে ঘরের দরজা খুলে মুখোশ পরিহিত অবস্থায় কক্ষে প্রবেশ করে। তারা ভুক্তভোগী নারীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং তাদের মধ্যে দুই ব্যক্তি তাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। অপর একজন দুষ্কৃতকারী ভুক্তভোগীর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলা পর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় সদর মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার রাজাবাড়ী এলাকা থেকে ফেরদৌস এবং মৌলভীবাজার শহরের উত্তর কলিমাবাদ এলাকা থেকে জয়নালকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ঘটনার সময় চুরি হওয়া দুটি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত দুই আসামি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের বরাত দিয়ে জেলা পুলিশ আরো জানায়, গ্রেফতারকৃত আসামি ফেরদৌসের বিরুদ্ধে চুরিসহ মোট চারটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। মামলার সঙ্গে জড়িত পলাতক অপর আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




