বিপ্লব ও সংহতি দিবসে লিডিং ইউনিভার্সিটিতে আলোচনা সভা
প্রকাশিত হয়েছে : ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ৮:১২:২৯ অপরাহ্ন

জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাকে সুসংহত করতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন লিডিং ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান রাগীব আলী। তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর দেশের তৎকালীন চরম রাজনৈতিক শূন্যতা ও বৈদেশিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কা থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছিল।
শনিবার জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে লিডিং ইউনিভার্সিটির গ্যালারি-১-এ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজ উদ্দিন বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদলের ঘটনা। এদিন সংঘটিত সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দেশের তৎকালীন রাজনৈতিক শূন্যতা এবং রাজনীতি ও ক্ষমতার গতিপথে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছিল।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মফিজুল ইসলাম। আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সমন্বয়ে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. বশির আহমেদ ভূঁইয়া, কলা ও আধুনিক ভাষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম, ট্রাস্টি বোর্ডের সচিব ইঞ্জিনিয়ার মো. লুৎফর রহমান, বিভাগীয় প্রধানদের পক্ষে স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সৈয়দ মহসিন আলী এবং শিক্ষকদের পক্ষে পাবলিক হেলথ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোসা. হালিমা বেগম।
আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহী মামুন।
আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল মজিদ মিয়া, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. কবির আহমেদ, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি






