কোম্পানীগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন, ২ জনের কারাদন্ড
প্রকাশিত হয়েছে : ২৯ আগস্ট ২০২৫, ৯:৪৬:০৩ অপরাহ্ন

ফাইল ফটো
স্টাফ রিপোর্টার : সাদাপাথরের পর এবার অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযানে নেমেছে প্রশাসন। এবার সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ইজারাবহির্ভূত স্থান থেকে বোমা মেশিন, ড্রেজার ও লিস্টার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে দুই শ্রমিককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে কোম্পানীগঞ্জের ধোলাই নদীর ইজারা বহির্ভুত স্থানে থেকে বালু তোলার অপরাধে মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে তাদেরকে এই বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
দ-প্রাপ্তরা হলেন- উপজেলার উত্তর বুড়দেও গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে মিজান আহমেদ (৩০) ও শাহাব উদ্দিনের ছেলে মেরাজুল আলী (৩২)। তারা দু’জনেই সাধারণ বালু শ্রমিক।
এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিন মিয়া। তিনি জানান, এসব ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণে সক্রিয়। যেকোনো মূল্যে আমরা অবৈধভাবে বালু-পাথর উত্তোলন প্রতিরোধে সর্বাত্মক প্রস্তুত।
এদিকে কোম্পানীগঞ্জের ধলাই ও পিয়াইন নদীতে শ্যালো ও পরিবেশ বিধ্বংসী ‘বোমা মেশিন’ বসিয়ে অবাধে চলছে বালু লুটপাট। প্রশাসনকে উপেক্ষা করে ইতোমধ্যে প্রায় ২ কোটির বেশি ঘনফুট বালু লুট করে স্তূপ আকারে মজুদ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য ৭০ কোটি টাকারও বেশি। এসব বালু নিয়মিত বিক্রি হচ্ছে এবং রাতের আঁধারে স্টিলবডি নৌকা দিয়ে পাচার হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।
এ বছরের মার্চ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে উপজেলার বুড়িডহর হাজী হাছন আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে লামনীগাঁও পর্যন্ত দুই কিলোমিটার এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বসতবাড়ি, বিদ্যালয়, মসজিদ, কবরস্থান, ঈদগাহ, রাস্তা, ফসলি জমি ও শিমুলতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প (গুচ্ছগ্রাম) এখন ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে।







