সিলেটে হামে ফের আরেক শিশুর মৃত্যু
প্রকাশিত হয়েছে : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১:৩৬ অপরাহ্ন
হাসপাতালে ৬০০

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটে হামে ফের আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মৃত্যুবরণকারী পাঁচ মাস বয়সী শিশু আয়শা সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার বাসিন্দা। এনিয়ে চলতি বছর সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৩ জনে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৬৪ জন। বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা দাঁিড়য়েছে ৬০০ জনে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম।
স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে সন্দেহজনক হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১৬৪ জন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৭০ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬২ জন, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ জন, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ৬ জন, বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১০ জন ভর্তি হয়েছেন।
বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৬০০ জনের মধ্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪০ জন, শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৭৫ জন, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১২ জন, নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৭ জন, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ২৭ জন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, বিশ্বনাথে ৪ জন, বিয়ানীবাজারে ১০ জন, গোলাপগঞ্জে ৪ জন, ফেঞ্চুগঞ্জে ২ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৬৮ জন, ধর্মপাশায় ১ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৫ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৪০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নতুন করে একজনের মৃত্যু হওয়ায় চলতি বছরে বিভাগে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৩ জন। এর সঙ্গে নিশ্চিত হাম রোগে ১০ জনের মৃত্যু যোগ হয়ে মোট মৃত্যু দাঁড়িয়েছে ১৭৩ জনে। জেলা হিসেবে সিলেটে ৬৮, হবিগঞ্জে ২৪, মৌলভীবাজারে ১৫ এবং সুনামগঞ্জে ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৩ জন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৮৫, হবিগঞ্জে ১৫৩, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো নিশ্চিত রোগী শনাক্ত না হলেও সন্দেহজনক রোগী নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির চাপ অব্যাহত রয়েছে।






