এআইআইবির কাছে ১.৫ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা চায় সরকার
প্রকাশিত হয়েছে : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৮:৪০:২৯ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটানো ও সংস্কার উদ্যোগে সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)-এর কাছে ১.৫ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা চেয়েছে, যা উচ্চ সুদের বিদেশি ঋণের ওপর সরকারের নির্ভরতা বাড়ারই প্রতিফলন। বিশেষত, ব্যাংকিং খাতের সংকটাপন্ন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঘিরে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা সামনে আসার প্রেক্ষাপটে চাওয়া হচ্ছে এ সহায়তা।
অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)-এর সূত্র জানায়, জলবায়ু নীতি-ভিত্তিক বাজেট সহায়তা কর্মসূচির আওতায় গত ১৩ আগস্ট এআইআইবি-কে এ প্রস্তাব পাঠানো হয়। ঋণদাতার পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক আশ্বাসও পাওয়া গেছে।
বেইজিংভিত্তিক এআইআইবি সাম্প্রতিক এক চিঠিতে জানিয়েছে, তারা ইআরডি, অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে এবং প্রস্তাবিত কর্মসূচি পর্যালোচনা করবে। চিঠিতে বলা হয়, আমরা সব অংশীজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যাতে এ প্রক্রিয়া সময়মতো এবং গঠনমূলকভাবে এগিয়ে যায়।
ইআরডি ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এআইআইবি ছাড়াও বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে চলতি অর্থবছরে আরও ১.৮৫ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাজেট সহায়তা মূলত বাজেট ঘাটতি মেটাতে ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ জোরদারে নেওয়া হয়। তবে চলতি অর্থবছরে কি পরিমাণ বাজেট সহায়তার প্রয়োজন হবে তা অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে চূড়ান্তভাবে জানা যাবে।
গত অর্থবছরে ৩.৪ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড বাজেট সহায়তা : সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে অর্তবর্তীকালীন সরকার সর্বোচ্চ ৩.৪ বিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা পেয়েছিল। ইআরডি’র তথ্যমতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাজেট সহায়তার ঋণ দ্রুত বেড়েছে, কোভিড-১৯ মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অভিঘাত এ প্রবণতাকে ত্বরান্বিত করতে ভূমিকা রাখে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেট সহায়তা ঋণ ছিল ১ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়ায় ২.৫৯ বিলিয়ন ডলারে মূলত করোনা মহামারি মোকাবিলার কর্মসূচিগুলোয় বর্ধিত সহায়তা হিসেবে।







