ছবি আছে শাবিতে ডিজিটাল নাগরিকত্ব ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধে কর্মশালা
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৭:১৫:১৫ অপরাহ্ন
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: তরুণদের ডিজিটাল নাগরিকত্ব ও ভুয়া তথ্য শনাক্তকরণে দক্ষ করে তুলতে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু হয়েছে।
শুক্রবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিকাল স্টাডিজ বিভাগে এ ডিজিটাল নাগরিকত্ব ও নিরাপদ অনলাইন অংশগ্রহণ বিষয়ক কর্মশালা শুরু হয়, চলবে শনিবার পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকশন ল্যাবের আয়োজনে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে ।
কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো- ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. সাজেদুল করিম এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. ইসমাইল হোসেন।
ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং ইলেকশন ল্যাবের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. সাহাবুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কর্মশালার মূল প্রতিপাদ্য উপস্থাপন করা হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। স্বাগত বক্তব্য দেন ইলেকশন ল্যাবের ডেপুটি ডিরেক্টর প্রফেসর ড. জায়েদা শারমিন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মনিরুল ইসলাম।
কর্মশালায় সিলেটের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল শাবিপ্রবি, এমসি কলেজ, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি, রেড ক্রিসেন্ট নার্সিং কলেজ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট নার্সিং ইনস্টিটিউটসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ের এ-লেভেল শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন। মোট ৬০ জন অংশগ্রহণকারীর মধ্যে ২৮ জন নারী ও ৩২ জন পুরুষ শিক্ষার্থী ছিলেন।
দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা ডিজিটাল নাগরিকত্ব, মিডিয়া সাক্ষরতা, অনলাইন আচরণবিধি এবং সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। পাশাপাশি ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা, যুক্তিগত ভুল ও মানসিক পক্ষপাত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট শনাক্তের কৌশল নিয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের কর্মশালা তরুণদের সচেতন ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





