শাবির নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের তিনদশক পূর্তি পুনর্মিলনী শুরু
প্রকাশিত হয়েছে : ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৭:১৬:২৩ অপরাহ্ন
শাবিপ্রবি প্রতিনিধি: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের তিন দশক পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দুই দিনব্যাপী পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।
শুক্রবার সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এ আয়োজন ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে শুরু হয় এই পুনর্মিলনী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. এম. সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীল বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের ল্যাবরেটরি স্থাপনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সমৃদ্ধ ও সম্ভাবনাময় বিভাগ। এ বিভাগের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইসমাইল হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে দৃঢ় সম্পর্ক ও সক্রিয় অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক বিভাগের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি বিভাগের উন্নয়নে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আরও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ড. কামাল আহমদ চৌধুরী, অধ্যাপক ড. আবদুল আউয়াল বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. মির্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক এ কে এম মাজহারুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. তাহমিনা নাজনীন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান মিয়া।
বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. মোখলেসুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রভাষক মো. আশরাফুল হক।
উল্লেখ্য, দুই দিনব্যাপী এ পুনর্মিলনীতে প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছে, যা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন করে বন্ধন দৃঢ় করবে।





