ইসি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না : জামায়াত
প্রকাশিত হয়েছে : ২৯ জুলাই ২০২৬, ৮:৫১:৪৩ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে শামসুল আলমের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন তিনি। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন গোলাম পরওয়ার।
তিনি বলেন, ইসি সচিবালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এমন একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অতীতে তিনি বিএনপির সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত একটি কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাই নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের রাজনৈতিক নিয়োগ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অন্তরায় হতে পারে। এ কারণে তার নিয়োগ বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।
গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের সুবিধা দিতে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আরো সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন-সংক্রান্ত বিধিমালায় পরিবর্তনের জন্য জামায়াতের পক্ষ থেকে নয় দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে দলটি। এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুণ্ন হবে এবং এটি বৈষম্যমূলক হবে বলে তাদের মত। এছাড়া, যে রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেই দলের বিভিন্ন কমিটিতে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার দাবিও জানানো হয়েছে বলে জানান গোলাম পরওয়ার।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, বিএনপি বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদে রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়োগ দিয়েছে। এসব ব্যক্তিকে নির্বাচনি কার্যক্রম থেকে দূরে রাখার দাবিও কমিশনের কাছে জানিয়েছে জামায়াত।
জামায়াতের প্রতিনিধিদলে ছিলেন দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ, এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট জসিম উদ্দীন সরকার ও সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।







