রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির !
প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২১:০৬ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : রাষ্ট্রপতির নাগরিক সংবর্ধনা ঘিরে সিলেটে প্রকাশ্যে এলো বিএনপির আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক টানাপোড়েন। সিলেট সিটি করপোরেশনের অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বর্জন করেছে মহানগর বিএনপি। মঙ্গলবার বিকেলে নগরভবনে অনুষ্ঠান চললেও মহানগর বিএনপির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কোনো নেতা এতে অংশ নেননি।
মহানগর বিএনপির নেতাদের অভিযোগ, সংবর্ধনা আয়োজনের বিষয়ে তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। নাগরিক কমিটি গঠন না করে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক একক সিদ্ধান্তে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছেন। এমনকি বিএনপি নেতাদের যথাযথভাবে আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। একারণে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশনে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধণা অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়। তবে এয়ারপোর্টে রাষ্ট্রপতিকে রিসিভকালে মহানগর বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে নাগরিক সংবর্ধনা বর্জনের পেছনে মঙ্গলবারের মাজার জিয়ারতের ঘটনাকেও গুরুত্ব দিচ্ছেন মহানগর বিএনপি নেতারা। তাদের অভিযোগ, মহানগর বিএনপি নেতাদের জন্য যে গাড়ি দেওয়া হয়েছিল, সেটির মাজার এলাকায় প্রবেশের পাস না থাকায় নিরাপত্তাবাহিনী গাড়িটি মূল সড়কেই আটকে দেয়। ফলে দলের সিনিয়র নেতাদের হেঁটে মাজারে যেতে হয়।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়ায় নাগরিক কমিটি গঠন না করে সংবর্ধনা আয়োজন এবং আয়োজকদের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এ অনুষ্ঠান বর্জন করা হয়েছে। তবে নগর ভবনের সংবর্ধনা ছাড়া তাঁর বাকি সব কর্মসূচিতে মহানগর বিএনপি অংশ নিয়েছে।
তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে এয়ারপোর্টে রাষ্ট্রপতিকে রিসিভকালে এবং মাজার জিয়ারতকালে উপস্থিত থাকলেও সিটি কর্পোরেশনে অনুষ্ঠিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া থেকে বিরত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নি, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সিউক চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জালালাবাদ গ্যাসের পরিচালক বদরুজ্জামান সেলিম। এছাড়া মহানগর বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীগণও অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বলে জানা গেছে।







