হবিগঞ্জে বিজিবির ৭১ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৩:৫৮ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে বিজিবির পৃথক অভিযানে ৭১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ করা হয়েছে। এসব অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ফুচকা, ৩৬ কেজি গাঁজা, ভারতীয় মদ ও আতশবাজি উদ্ধার করা হয়। এসময় দুটি যানবাহনসহ দুজনকে আটক করেছে বিজিবি।
রোববার (১১ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেন হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান।
বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। গত ৮ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঢাকা-সিলেট পুরাতন মহাসড়কের চন্ডিছড়া এলাকায় অভিযান চালায় ৫৫ বিজিবির একটি বিশেষ টহলদল। সীমান্ত থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে রাস্তার পাশে সন্দেহজনক অবস্থায় একটি কাভার্ডভ্যান দেখতে পেয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এসময় কাভার্ডভ্যান থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় ফুচকা উদ্ধার করা হয়। জব্দ পণ্য ও কাভার্ডভ্যানের আনুমানিক মূল্য ৬০ লাখ ১০ হাজার ৮০০ টাকা।
অন্যদিকে, শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ফুসকুড়িছড়া চা-বাগান এলাকায় অভিযান চালায় সিন্দুরখান বিওপির টহলদল। সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে ২৩ বোতল ভারতীয় মদ ও ৫৬৫ পিস আতশবাজি উদ্ধার করা হয়। এসময় অটোরিকশাসহ দুজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গল উপজেলার লালটিলা গ্রামের শ্রী জীবন চাষা (২৫) ও সিন্দুরখান গ্রামের রাজন কয়েরী (৩৫)।
এছাড়া ৫৫ বিজিবির অধীন চিমটিবিল ও সাতছড়ি বিওপির টহলদল শনিবার সন্ধ্যায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও দুই বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে। এসব মাদকদ্রব্য ও চোরাইপণ্যের বিষয়ে এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়ন ৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান জানান, সীমান্ত সুরক্ষা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষায় সীমান্ত এলাকায় বিজিবির কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।





