সিলেটের সম্প্রীতির ঐতিহ্য ধরে রাখতে হবে : সিসিক প্রশাসক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৫:০৬ অপরাহ্ন

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সম্প্রীতির নগরী। জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে এ অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন। পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্প্রীতির এই ঐতিহ্য ভবিষ্যতেও অটুট রাখতে হবে। সোমবার সকালে দুর্গাপূজার অষ্টমীতে দক্ষিণ সুরমার জৈনপুরে ৫১ পীঠের অন্যতম সতীপীঠ মহালক্ষ্মী ভৈরবী গ্রীবা মহাপীঠস্থান সংলগ্ন দুর্গামন্দিরে কুমারী পূজা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশন সবার প্রতিষ্ঠান। নগরবাসীর করের অর্থে পরিচালিত এ প্রতিষ্ঠান জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে। সব ধর্মের মানুষের প্রধান ধর্মীয় উৎসব পালনে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়। এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে নগরের ৮৫টি সর্বজনীন পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কুমারী পূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আয়োজন। জৈনপুরের এ আয়োজনেও সিসিকের পক্ষ থেকে বিশেষ সহযোগিতা করা হয়েছে। পূজার সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া এবং পুণ্যার্থীদের সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ নিতেই তিনি সেখানে গেছেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেট নগরের মানুষ যেন শান্তিতে ও নিরাপদে বসবাস করতে পারেন, সেটিই সবার প্রত্যাশা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।’ রাষ্ট্রের কাছে প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। ধর্মীয় উৎসবগুলো নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালনে সিটি করপোরেশনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। পীঠস্থান পরিচালনা কমিটির আয়োজনে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত কুমারী পূজায় সাত বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে কুমারী মাতারূপে পূজা করা হয়।
মহাপীঠের সভাপতি শিবব্রত ভৌমিক চন্দনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জনার্দন চক্রবর্তী মিন্টুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাস ও তাঁর সহধর্মিণী, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্যের সহধর্মিণী দিলারা মালিকসহ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, বাংলাদেশ পূজা ফ্রন্ট, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় মহাপীঠের সহসভাপতি নারায়ণ চক্রবর্তী, বিজয় কুমার দেব বুলু, অ্যাডভোকেট চন্দন দাশ, অ্যাডভোকেট বিপ্লব কান্তি দে মাধব, মিন্টু দাশ, যুগ্ম সম্পাদক প্রমথ দাশ, নিপেশ কান্ত দেব পিযুষ, সহসাধারণ সম্পাদক দীপংকর চন্দ্র পাল, জয়দ্বীপ চক্রবর্তী, কোষাধ্যক্ষ সঞ্জিত কুমার কর, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস রিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক সুব্রত দেব লাভলুসহ কমিটির অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি





