কম্বোডিয়ায় জিম্মি দশা থেকে মুক্ত ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন
প্রকাশিত হয়েছে : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫১:২৫ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক: কম্বোডিয়ায় অনলাইন স্ক্যাম সেন্টারে জিম্মি দশা থেকে উদ্ধারের পর দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা ৩০ জন বাংলাদেশি কর্মী অবশেষে দেশে ফিরেছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
দেশে ফেরা ৩০ কর্মী হলেন মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে এবং মোহাম্মদ কবির।
এর আগে, অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংককে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দ্রুত মুক্তি ও দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উপপরিচালক (আইআরপি) মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে তাদের মুক্ত করার এই তাগিদ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের পরিবার ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে জানা গেছে, আকর্ষণীয় বেতনের প্রলোভন দেখিয়ে দালালচক্রের মাধ্যমে এসব তরুণ ও অন্য দেশ থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কম্বোডিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের জোর করে সাইবার স্ক্যামিং বা অনৈতিক অনলাইন প্রতারণামূলক কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়। তারা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ওপর চরম নির্যাতন চালানো হতো।
পরে তারা সেখান থেকে পালিয়ে দেশে ফেরার উদ্দেশে গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানী নমপেনের বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশ অবৈধ অবস্থানসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৩২ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে। এরপর দুজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন।






