ব্যারিস্টার মুশতাক আহমদের নাগরিক সংবর্ধনা শনিবার
প্রকাশিত হয়েছে : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫০:৫৯ অপরাহ্ন
যুক্তরাজ্যের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের স্পিকার ও বেথনাল গ্রিন ওয়েস্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ব্যারিস্টার মুশতাক আহমদকে নাগরিক সংবর্ধনা দেবে তাঁর নিজ এলাকা সিলেটের দক্ষিণ সুরমার জালালপুর ইউনিয়নবাসী। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জালালপুর উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে।
ব্যারিস্টার মুশতাক আহমদ সংক্ষিপ্ত সফরে বর্তমানে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। দেশে এসে তিনি জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এ ছাড়া কূটনৈতিক মহলের বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি।
জালালপুরে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জিয়াউর রহমান। বিশেষ অতিথি থাকবেন সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি মুকতাবিস-উন-নূর। অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক নেসারুল হক চৌধুরী বুস্তান ও সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সবার উপস্থিতি কামনা করেছেন।
এদিকে, আগামী ২ নভেম্বর সোমবার ফজলুর রহমান মেম্বার স্মৃতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জালালপুর ডিগ্রি কলেজে ব্যারিস্টার মুশতাক আহমদকে আরেকটি সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম। ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক খালেদ আহমদ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্যারিস্টার মুশতাক আহমদের জন্ম দক্ষিণ সুরমা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের খতিরা গ্রামে। তাঁর বাবা মোহাম্মদ ইব্রাহিম বেগ ও মা হুসনে আরা বেগম-দুজনই প্রয়াত। মাত্র ১৮ বছর বয়সে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান তিনি। সেখানে কর্মজীবনের শুরু হয় কিচেন পোর্টার হিসেবে। পরবর্তী সময়ে নিজস্ব রেস্তোরাঁ ব্যবসা গড়ে তোলেন এবং টানা ১২ বছর ক্যাটারিং খাতে কাজ করেন। ৩২ বছর বয়সে নতুন করে শিক্ষাজীবন শুরু করেন মুশতাক আহমদ। টাওয়ার হ্যামলেটস কলেজে পড়াশোনার সময় ‘স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন। পরে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি ও ওপেন ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা শেষে ইউনিভার্সিটি অব ল’ থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। ২০১৭ সালে ইনার টেম্পল থেকে ব্যারিস্টার হিসেবে অভিষিক্ত হন।
বর্তমানে তিনি ট্রেইনি সলিসিটর ও লিটিগেশন কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করছেন। সিভিল, কর্মসংস্থান ও অভিবাসন আইন বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ স্টেশন রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবেও কাজ করেছেন। বিজ্ঞপ্তি






