মুক্তাক্ষরের শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন ও আবৃত্তি উৎসব
প্রকাশিত হয়েছে : ০১ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৮:০১ অপরাহ্ন

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট আগমনের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আবৃত্তি উৎসবের আয়োজন করেছে সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘মুক্তাক্ষর’। শনিবার বিকেল ৩টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিজন শামসুল বাসিত শের। এ সময় মুক্তাক্ষরের উপদেষ্টা ড. শহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট ওয়াসার চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী। তিনি মুক্তাক্ষরের নজরুলবিষয়ক বিভিন্ন সময়ের আয়োজনের স্থিরচিত্র নিয়ে প্রকাশিত ব্রোশিয়ারের মোড়ক উন্মোচন করেন এবং গুণীজনদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তিশিল্পী সালেহ আহমেদ খসরু।
অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আমন্ত্রিত আবৃত্তিশিল্পীরা মনোজ্ঞ আবৃত্তি পরিবেশন করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চট্টগ্রামের দেবাশীষ রুদ্র, হবিগঞ্জের অজয় রায়, মৌলভীবাজারের হামিদা বেগম ঝুমা, সুনামগঞ্জের মিজানুর রহমান মিজান এবং সিলেটের নন্দিতা দত্ত।
এছাড়া স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন ঢাকার কবি মো. জাহিদ হোসেন, জগন্নাথপুরের শেখর আচার্য, বিয়ানীবাজারের আজিজ ইবনে গণি এবং ফেঞ্চুগঞ্জের সুহেনা আক্তার প্রিন্সেস হেনা। সিলেটের স্থানীয় সাহিত্যিক ও ছড়াকারদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অজিত রায় ভজন, দিলোয়ার হোসেন দিলু, সজল ঘোষ, কবি অমিতা বর্ধন, হিমাংশু রায় হিমেল, সাজন আহমদ সাজু, খালেদ উদ্দিন ও মুন্নি আক্তার প্রমুখ। মুক্তাক্ষর সিলেট ও ছাতক শাখার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দর্শকসারিতে উপস্থিত অনেক শিশুও স্বতঃস্ফূর্তভাবে আবৃত্তিতে অংশ নেয়।
বিমল করের সভাপতিত্বে এবং পুনম কর পূজা ও শ্রেয়া সরকারের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেন স্বপ্ন কর। নজরুল বর্ষের আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী নলেজ গার্ডেন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন চট্টগ্রামের আবৃত্তিশিল্পী দেবাশীষ রুদ্র ও হবিগঞ্জের আবৃত্তিশিল্পী অজয় রায়। সন্ধ্যায় শিশু-কিশোরদের নাশতা পরিবেশনের পর স্থানীয় বরেণ্য কবিদের মাধ্যমে অন্যান্য বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ও অতিথিদের মধ্যে কলম ও উৎসব ক্রেস্ট বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া বিমল করের কণ্ঠে শত আবৃত্তির কবিতায় সেরা কবি নির্বাচিত হওয়ায় মাসুদা সিদ্দিকা রুহীকে প্রধান অতিথির মাধ্যমে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। বিজ্ঞপ্তি





