জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. উপসম্পাদকীয়

প্রসঙ্গ : পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন-২০২১


প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ মে ২০২১, ২:১১:৫০ অপরাহ্ন

মুজিব স্বদেশি

সম্প্রতি মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন, নির্বাচনি ফলাফল ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অলআউট ম্যাচ মনে করিয়ে দিল, গত শতকের ত্রিশের দশকের অবিভক্ত বাংলার রাজনীতিতে শেরে-বাংলা ফজলুল হকের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কথা। এক দিকে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় জাঁদরেল নেতৃবৃন্দ, অন্যদিকে হিন্দু মহাসভা ও মুসলিম লিগকে মোকাবেলা করে ‘লাঙল যার, জমি তার’ স্লোগান দিয়ে আকাশ-বাতাস মুখরিত করেছিলেন ফজলুল হকের অনুসারি তথা ‘কৃষক প্রজা পার্টি’-এর কর্মীবৃন্দ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না-পেলেও মন্ত্রীসভা গঠন করতে পেরেছিলেন ফজলুল হক। কৃষকদের অনুকূলে আইন প্রণয়ন করতে পেরেছিলেন। সবচেয়ে বড়ো কথা, বাংলার রাজনীতিতে নিজেকে অবিস্মরণীয় করে রাখতে পেরেছিলেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ‘মা-মাটি ও মানুষ’-এর জন্য তাঁর রাজনীতিকে অনেকটা আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রাখতে পেরেছেন বলে তৃতীয় বারের মতো পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল করতে সক্ষম হয়েছেন। শুধু নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা-ই নয়, প্রায়  তিয়াত্তর শতাংশ আসন লাভ করেছেন। ২৯৪ আসনবিশিষ্ট পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় দুটি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি, ফলে, ২৯২ টি আসনের মধ্যে ২১৩ টি আসনে জয়লাভ করে একদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবর্গকে মুখের ওপর জবাব দিয়েছেন, অন্যদিকে, কংগ্রেস ও কমিউনিস্টদের আঁতাতকে ল্যাজে খেলে গঙ্গায় বিসর্জন দিয়েছেন দুটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক দলকে। কংগ্রেস ও কমিউনিস্ট কোনও দল-ই এবার খাতা খুলতে পারেনি! বিজেপি সাকুল্যে ৭৭টি আসনে বিজয় লাভ করেছে, যা ম্যাজিক ফিগারের প্রায় অর্ধেক হলেও আগামী দিনের জন্য অবশ্য-ই অশনিসংকেত।
২০১৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি মাত্র তিনটি আসনে বিজয়ী হয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়ে সাতাত্তর পর্যন্ত পৌঁছেছে! এদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের আসন সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ২১১ টি আসন।  সিপিআই পেয়েছিল ০১ টি আসন। সিপিআইএম পেয়েছিল ২৬ টি আসন আর কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৪টি আসন। এবার কংগ্রেস ও কমিউনিস্টদের ঝুলি শূন্য! কমিউনিস্ট ও কংগ্রেসের ভোট তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে আংশিক ভাগ হয়ে সিংহভাগ চলে গেছে বিজেপির ঝুলিতে!  কংগ্রেস ও কমিউনিস্টদের একাত্তরটি আসন  বিজেপির অনুকূলে চলে গেছে! উক্ত একাত্তরটি আসনের ভোটাররা এতো দিন কোমল হিন্দুত্বে বিশ্বাসী ছিলেন। সুযোগ বুঝে কট্টর হিন্দুত্বে তাদের উত্তরণ ঘটিয়েছেন! অথচ, তৃণমূল কংগ্রেস তার অসাম্প্রদায়িক ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে সক্ষম হয়েছে। গত বারের প্রাপ্ত ভোটের চেয়ে এবারে তৃণমূলের প্রাপ্ত ভোট বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় আটচল্লিশ শতাংশে পৌঁছেছে। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৪৪.৯১ শতাংশ ভোট। এবার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭.৯৩ শতাংশে। গত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাপ্ত মোট ভোট ছিল ২৪,৫৬৪,৫২৩।  এবার তা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২৮,৬৫০,৯১৭।  ২০১১-এর বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা ও মোট ভোট ছিল যথাক্রমে ১৮৪ টি ও ভোট ছিল ৩৮.৯৩ শতাংশ। অর্থাৎ ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর আসন সংখ্যা ও মোট প্রাপ্ত ভোটের শতাংশ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। গত দশ বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট বৃদ্ধি পেয়েছে নয় শতাংশ। ৩৮.৯৩ থেকে ৪৭.৯৩ শতাংশ। অপর দিকে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের গ্রাফ ছিল নিম্নমুখী।

কমিউনিস্টরা দীর্ঘ ৩৪ বছর পশ্চিমবঙ্গে শাসন ক্ষমতায় ছিল। তাই, বামপন্থী নেতা-কর্মীদের মধ্যে একটা অহমিকা তৈরি হয়েছিল, তারা ‘অপরাজিত’ বলে! বামপন্থীরা সর্বহারাদের দল বললেও সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের কৃষকবিরোধী অবস্থান তাদের রীতিমতো ব্যাকফুটে নিয়ে যায়। আর এখান থেকেই সঞ্জীবনী সুধা লাভ করে মা-মাটি ও মানুষের লড়াইয়ে নিজেকে সমর্পিত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১১-এর বিধানসভা নির্বাচন, ২০১৪-এর লোকসভা নির্বাচন, ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচন এবং সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর একক প্রচেষ্টায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিপক্ষকে কুপোকাত করে চলেছে। এবারের বিধানসভা নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে আরও চারটি রাজ্য যথাক্রমে অসম, কেরালা, তামিলনাডু ও পদুচেরিতে অনুষ্ঠিত হলেও পশ্চিমবঙ্গে ছিল শাসক দল বিজেপি’র পাখির চোখ। যেন-তেন-প্রকারে পশ্চিমবঙ্গকে কাবু করা গেলে সমগ্র পূর্ব ভারত বিজেপি’র করায়ত্ত হয়ে যেত। কিন্তু হতে দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে তাঁর উত্তরণের সময় থেকেই সঙ্গ দিয়ে আসছেন রাজ্যের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। ত্রিশ শতাংশের অধিক সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরঙ্কুশ সমর্থন পেয়ে তাঁর নির্বাচনি বিজয়রথ গতি লাভ করে সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামের ঘটনাবলির পর থেকে। অর্থাৎ রাজ্যের এক তৃতীয়াংশ জনগণের স্বতস্ফূর্ত সমর্থন তিনি পেয়ে আসছেন ২০১১-এর বিধানসভা নির্বাচন থেকেই। এক অর্থে এই ত্রিশ শতাংশ জনগোষ্ঠী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট ব্যাঙ্ক।
৩৪ বছরের দীর্ঘ শাসনকালে বামপন্থী সরকার সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে বিজেপি’র মতো হাতে না-মারলেও ভাতে মেরেছে সন্তর্পণে। সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক কমিউনিস্টদেরও ছিল এককালে। কিন্তু বছরের পর বছর সরকারি চাকরি, জনপ্রতিনিধিত্ব, ব্যাঙ্ক ঋণ, ব্যবসা-বাণিজ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে মুসলিম-বঞ্চনার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর বদান্যতায় গঠিত সাচার কমিশন ও রঙ্গনাথ মিশ্র কমিশনের প্রতিবেদন কংগ্রেসসহ দেশের সবক’টি রাজ্য সরকারের মুখোশ উন্মোচন করে দেয়! পশ্চিমবঙ্গেও স্যেকুলার বলে দাবিদার কমিউনিস্ট সরকারের অবস্থা কুৎসিতভাবে বেআব্রু হয়ে পড়ে! বামফ্রন্ট আমলে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিমদের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বঞ্চনার অভিযোগ উঠলেই তাদের সোজাসাপ্টা উত্তর ছিল, মুসলিমদের সরকারি চাকরি পাওয়ার ‘যোগ্যতা নেই’! কিন্তু ৩৪ বছর নিরবচ্ছিন্নভাবে শাসনক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও রাজ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনগোষ্ঠী কেন সরকারি চাকরির জন্য ‘যোগ্য’ হয়ে ওঠেনি, কেন তাদের ‘যোগ্য’ করে তোলা হয়নি, এসব প্রশ্নের উত্তরে বামপন্থীরা সবদিন-ই ছিল নির্বাক! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বামফ্রন্ট সরকারের এই দুর্বলতাকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে কাজে লাগাতে পেরেছেন সঠিক সময়ে। তাই, নির্বাচনে প্রাপ্ত আটচল্লিশ শতাংশ ভোটের মধ্যে একা মুসলিম ভোট-ই ত্রিশ শতাংশ তাঁর ঝুলিতে পুরতে সক্ষম হয়েছেন। বাকি আঠারো শতাংশ ভোট মূলত অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির এবং ক্ষুদ্র অংশ উচ্চ বর্ণের বাঙালি হিন্দুর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বর্ণ হিন্দু হওয়া সত্ত্বেও অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন, এ-কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। মূলত, আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক কারণেই আদিবাসী, দলিত ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী নিজেদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এখনও তৃণমূলকে ভরসা করছে। বিশেষত, সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সংঘটিত মব লিঞ্চিং-এর দরুন উপর্যুক্ত জনগোষ্ঠীগুলো নির্ভরতার আশ্রয় খুঁজছে। অর্থনৈতিক নিরাপত্তা কতটুকু পেয়েছে, তার হিসেব-নিকেশ এখনও বাকি থাকলেও সামাজিক নিরাপত্তা পেয়েছে। সংখ্যালঘু জনপ্রতিনিধিত্বও বেড়েছে বামফ্রন্ট -এর তুলনায়। তবে জনসংখ্যার তুলনায় এখনও তা অপ্রতুল। সংখ্যালঘুরা ত্রিশ শতাংশ জনপ্রতিনিধিত্বের দাবিদার হলেও এখনও অর্ধেকও পূরণ হয়নি। সাকুল্যে চৌদ্দ শতাংশ সংখ্যালঘু এবারের নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, যা প্রয়োজনের তুলনায় নেহাত কম-ই বলা যায়। নতুন বিকল্প না-পাওয়া পর্যন্ত আদিবাসী, দলিত ও মুসলিমরা তৃণমূল কংগ্রেসের ভোটব্যঙ্ক বলেই বিবেচিত হবে, এ-কথা অনেকটা নিশ্চিত করে বলা যায়।
তৃণমূল কংগ্রেসের এই অভাবনীয় সাফল্যকে বাঙালির জয় বলে বিশেষত বাঙালি হিন্দুর জয় বলে যাঁরা কৃতিত্ব নিতে চাইছেন,  তা আসলে বিভ্রম ছাড়া কিছু নয়! বিজেপিকে আটত্রিশ শতাংশ ভোট দেয়ার পর অবশিষ্ট ভোট পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের অনুকূলে। অপরদিকে, সংখ্যালঘু ভোট এক চেটিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের অনুকূলে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস হচ্ছে বাঙালি হিন্দুর দ্বিতীয় পছন্দের দল! প্রথম পছন্দ অবশ্য-ই বিজেপি! আর সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সাতাশ শতাংশের (২০১১-এর সেন্সাস অনুযায়ী) একমাত্র পছন্দ হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক তৃণমূল কংগ্রেসের পেছন থেকে সরে গেলে মমতা দিদির হাতে থাকবে শুধু পেন্সিল! বলে রাখা প্রয়োজন, সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের মধ্যে উর্দুভাষী মুসলিম, হিন্দিভাষী মুসলিমও অন্তর্ভুক্ত! তাই, তৃণমূল কংগ্রেসের জয়কে এককভাবে বাঙালি হিন্দুর  জয় বলা অযৌক্তিক বটে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাপ্ত ভোট ও আসন সংখ্যা গত বিধানসভা নির্বাচনের চেয়ে বৃদ্ধি পেলেও তা বিজেপি’র তুলনায় আহামরি কিছু নয়। মনে রাখতে হবে, বিজেপি গত বিধানসভা নির্বাচনে সাকুল্যে তিনটি আসন পেয়েছিল। এবার পেয়েছে সাতাত্তরটি আসন! গত বারের তুলনায় ছাব্বিশ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বিজেপি’র আসন সংখ্যা! ভোটের হার বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় আটাশ  শতাংশ! গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি’র প্রাপ্ত ভোট ছিল ১০.৭ শতাংশ। এবার বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮.১শতাংশ! তৃণমূল কংগ্রেস তার আগের বারের ভোটব্যাঙ্ক অটুট রাখতে পেরেছে বলেই বিজয়ী হয়েছে। এখানে বাঙালি হিন্দুর অতিরিক্ত কোনও কৃতিত্ব নেই! ফলাফল গতানুগতিক। মাত্র দুটি আসন বেড়েছে তৃণমূলের। বিজেপি’র বেড়েছে চুয়াত্তরটি আসন! এরপরও বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গে রুখে দেয়ার কৃতিত্ব বাঙালি হিন্দুর! গাঁজাখোরদের হিসেব এমন-ই! দুইয়ে দুইয়ে পাঁচ হয়!
লেখক: সাংবাদিক ও বিশ্লেষক, করিমগঞ্জ, আসাম।

উপসম্পাদকীয় এর আরও খবর
জালালাবাদ কালজয়ী হোক

জালালাবাদ কালজয়ী হোক

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে চাই প্রশিক্ষণ

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে চাই প্রশিক্ষণ

শহীদ তুরাব : কথা ফুরানো আগে যার দম ফুরিয়ে গেল

শহীদ তুরাব : কথা ফুরানো আগে যার দম ফুরিয়ে গেল

সাংবাদিক তোরাব : একটি রক্তাক্ত স্মৃতি

সাংবাদিক তোরাব : একটি রক্তাক্ত স্মৃতি

সর্বশেষ সংবাদ
বাড়ছে মবের বিস্তার, অনিশ্চিত জননিরাপত্তা
বাড়ছে মবের বিস্তার, অনিশ্চিত জননিরাপত্তা
বড়লেখা ও জুড়ীর এক হাজার নারী চা শ্রমিককে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ
বড়লেখা ও জুড়ীর এক হাজার নারী চা শ্রমিককে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ
শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই : ফখরুল ইসলাম
শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়নে নিয়মিত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই : ফখরুল ইসলাম
জকিগঞ্জে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
জকিগঞ্জে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
শিকপুর-বহরগ্রাম সেতুর কাজ পরিদর্শনে এমপি এমরান
শিকপুর-বহরগ্রাম সেতুর কাজ পরিদর্শনে এমপি এমরান
জগন্নাথপুরে বিয়ের দাওয়াতকে কেন্দ্র করে হামলায় নিহত ১
জগন্নাথপুরে বিয়ের দাওয়াতকে কেন্দ্র করে হামলায় নিহত ১
খাদিমপাড়ায় প্রহরী খুন : ছেলের মামলা, ১৩ শ্রমিক মুক্ত
খাদিমপাড়ায় প্রহরী খুন : ছেলের মামলা, ১৩ শ্রমিক মুক্ত
চাতলে টিলা কাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরকে মামলার নির্দেশ
চাতলে টিলা কাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরকে মামলার নির্দেশ
৪৭১ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা মাঠে ৯০ মোবাইল টিম
৪৭১ পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা মাঠে ৯০ মোবাইল টিম
জৈন্তায় ৩৭ লাখ টাকার মাদকসহ আটক ৩
জৈন্তায় ৩৭ লাখ টাকার মাদকসহ আটক ৩
দুর্গাপূজায় শ্রীমঙ্গল সেক্টরে ৩৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
দুর্গাপূজায় শ্রীমঙ্গল সেক্টরে ৩৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন
মিশিগানে ১২ ভোটে মেয়র হলেন সিলেটের মুহিত মাহমুদ
মিশিগানে ১২ ভোটে মেয়র হলেন সিলেটের মুহিত মাহমুদ
সিলেটে বিজিবির ৩১ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
সিলেটে বিজিবির ৩১ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
সিলেটে আরও ১৩ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে আরও ১৩ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে হামে ৩ দিন পর ফের শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামে ৩ দিন পর ফের শিশুর মৃত্যু
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top