জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. প্রচ্ছদ

বিদ্যুৎ লুটেরাদের পকেট ভারী করতে জনগণ নিঃস্ব


প্রকাশিত হয়েছে : ০১ মার্চ ২০২৩, ৯:৪৬:২৮ অপরাহ্ন

বর্তমানে দেশের সীমিত আয়ের সাধারণ মানুষের আয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ খরচ হয়ে যাচ্ছে জ্বালানী তথা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ব্যয় মেটাতে। আয় না বাড়লেও উপর্যুপরি বাড়ছে জ্বালানীর দাম। এমনিতেই মূল্যস্ফীতির যাঁতাকলে পিষ্ট সাধারণ মানুষের ত্রাহি ত্রাহি দশা। অনেকে এখন এই ভেবে আতংকিত যে, যেভাবে মাসে মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ছে, তা চলতে থাকলে, আয়ের অধিকাংশ অর্থই চলে যাবে বিদ্যুতের বিল মেটাতে। তখন বেঁচে থাকতে হবে এবং আয় করতে হবে না খেয়ে না পরে শুধু বিদ্যুত বিল পরিশোধের জন্য। অর্থাৎ আলোকিত ঘরে অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটাতে হবে।

দেখা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে দেশের সিংহভাগ মানুষের আয় না বাড়লেও বেড়েছে প্রায় প্রতিটি নিত্যপণ্য ও সেবার দাম। বেড়েছে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের দাম। এ অবস্থায় আয়ের সাথে ব্যয়ের সংগতি হারিয়ে গেছে। অনেকে খাবার দাবারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় কর্তন করে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছেন। আবার অনেকে ইতোমধ্যে ব্যয় সংকোচনের সবটুকু করে ফেলায় ব্যয় আর কমাতে পারছেন না। আধমরা অবস্থায় বেঁচে থাকার জন্য লড়াই করছেন। প্রতিনিয়ত আর্থিক টানাপোড়েনে মরে যাওয়াই ভালো, এমন মন্তব্য করছেন। কিন্তু জনগণের এই দুরবস্থায় ক্ষমতাসীনরা নির্বিকার, উদাসিন। জনগণ মরলে মরুক, বাঁচলে বাঁচুক, এতে তাদের যেনো কিছুই যায় আসে না।

বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিক তথা ক্ষমতাসীনদের স্বার্থের ভাগিদারদের হাজার হাজার কোটি টাকা বিনা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে প্রতি বছর প্রদান করা হলেও ভর্তুকি হ্রাসের নামে প্রতি মাসে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। কিন্তু ক্যাপাসিটি চার্জের নামে অবৈধ ফায়দা প্রদান অব্যাহত আছে। বিদ্যুতের বিতরণ সংস্থাগুলো মুনাফা করলেও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম কমানো দূরে থাক, প্রতি মাসে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। অর্থাৎ বিতরণ সংস্থাগুলোর মুনাফা কিছুটা কমিয়ে গ্রাহকদের সুবিধা দিতে কোন উদ্যোগই নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য, এবার ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম আরো ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মার্চ মাসের বিদ্যুতের বিলেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে। গত মঙ্গলবার রাতে সরকারী প্রজ্ঞাপন জারি করে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এর আগে গত জানুয়ারীতে দুই দফায় বাড়ানো হয় বিদ্যুতের দাম। এটি জানুয়ারী ও ফেব্রুয়ারীতে দুই ভাগে কার্যকর হয়েছে। সবশেষে ৩০ জানুয়ারীর প্রজ্ঞাপনে খুচরা পর্যায়ে ৫ শতাংশ এবং পাইকারী পর্যায়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয় বিদ্যুতের দাম। এ নিয়ে গত ১৪ বছরে পাইকারি পর্যায়ে ১১ বার এবং খুচরো পর্যায়ে ১৩ বার বাড়ানো হলো বিদ্যুতের দাম।

বলা বাহুল্য, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির বিরূপ প্রভাব পড়ে শিল্পোৎপাদনে এবং পণ্যের বাজার দরে। এতে শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হন ভোক্তা জনগণ। এভাবে সমন্বয়ের নামে প্রতি মাসে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির লাগাম টেনে ধরতে না পারলে দেশের সাধারণ সীমিত আয়ের মানুষকে না খেয়ে মরতে হবে। জ্বালানী তথা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল পরিশোধ করতে গিয়ে তাদের চরম আর্থিক কষ্ট করতে হবে। এ অবস্থা চলতে থাকলে পথে নামতে হবে কিংবা গাছতলায় ঠাঁই নিতে হবে কোটি কোটি মানুষকে। পরিস্থিতি আরো খারাপ হওয়ার আগেই এ বিষয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এমন দাবি সচেতন মহলের।

বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সাথে ইতোপূর্বে করা অন্যায় ও অযৌক্তিক চুক্তি বাতিল করে ক্যাপাসিটি চার্জের ফাঁস থেকে দেশের অর্থনীতিকে বাঁচাতে হবে সর্বাগ্রে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিতরণকারী অর্ধডজন কোম্পানীর কাছ থেকে উৎপাদন খরচ ওঠে আসে এমন দামে বিদ্যুৎ বিক্রি করতে হবে পিডিবিকে। এটা করা হলে ভর্তুকির প্রশ্ন আসবে না। আর ভর্তুকির নামে মাসে মাসে বিদ্যুৎ বিলও বাড়াতে হবে না। আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে সরকারের শীর্ষ মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রচ্ছদ এর আরও খবর
রাষ্ট্রপতি আসবেন বলে!

রাষ্ট্রপতি আসবেন বলে!

সিলেট সীমান্তে বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ

সিলেট সীমান্তে বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ

এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩৪

এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩৪

সিলেটে আরও ৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত

সিলেটে আরও ৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত

সর্বশেষ সংবাদ
রাষ্ট্রপতি আসবেন বলে!
রাষ্ট্রপতি আসবেন বলে!
সিলেট সীমান্তে বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ
সিলেট সীমান্তে বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ
এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩৪
এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩৪
সিলেটে আরও ৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে আরও ৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে হামে আরেক মৃত্যু
সিলেটে হামে আরেক মৃত্যু
সিলেটে রাষ্ট্রপতির ব্যস্ত সময় পার
সিলেটে রাষ্ট্রপতির ব্যস্ত সময় পার
গণতন্ত্র রক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই এখন বড় দায়িত্ব : নাগরিক সংবর্ধনায় রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্র রক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই এখন বড় দায়িত্ব : নাগরিক সংবর্ধনায় রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করা নিয়ে মহানগর বিএনপির বিবৃতি
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করা নিয়ে মহানগর বিএনপির বিবৃতি
তৃপ্ত নন আরিফ
তৃপ্ত নন আরিফ
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনাস্থলে আকস্মিক বিদ্যুৎবিভ্রাট
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনাস্থলে আকস্মিক বিদ্যুৎবিভ্রাট
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির !
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির !
প্রতারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের
প্রতারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের
পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের বড় উল্লম্ফন
পোশাক রফতানিতে বাংলাদেশের বড় উল্লম্ফন
জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাসের সরবরাহ
জাতীয় গ্রিডে বেড়েছে গ্যাসের সরবরাহ
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top