তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৫০:৩২ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার: গেল কয়েকবছর ধরে পৌষ মাসে শীতের তীব্রতা খুব একটা দেখা যাচ্ছিলো না। কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম দেখা গেল। পৌষের মাঝামাঝিতে এসেই শীতের তীব্রতা জেঁকে বসেছে। তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। একসময় পৌষের শীতের ভয়াবহ ঠান্ডার একটি সাধারণ উপমা ছিল “পৌষের শীতে মহিষের শিং নড়ে”। এবার সেই নস্টালজিক মহিষের শিং নড়া শীত দেখতে পাচ্ছেন সিলেটবাসী। চলতি মৌসুমে ৯ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমেছিল তাপমাত্রা। সোমবার সিলেটের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এদিকে পৌষের এই শীত যতই নস্টালজিক হোক হঠাৎ শীতের তীব্রতায় জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে। শুত্রবার পর্যন্ত পূর্বাভাসে আকাশ মেঘলা থাকার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আকাশ মেঘলা থাকার কারণে দেখা মিলছে না সূর্যের। ফলে তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির কোঠায় থাকলেও অনুভূতি ৯ ডিগ্রির মতো দেখা গেছে।
সোমবার সারাদিনে একবারের জন্যও সূর্যের দেখা মিলেনি। ফলে অনেক বেশি শীত অনুভূত হয়েছে। রাস্তাঘাটে লোকজনের সংখ্যা ছিল অনেক কম। শ্রমজীবীদের দুর্ভোগের কোনো সীমা ছিল না। অনেক জায়গায় বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হলেও তা অনেকটাই অপ্রতুল এবং বেশিরভাগ ছিল নিম্নমানের। অনেকে কম্বলের চেয়ে শীতবস্ত্রের চাহিদার কথা জানিয়েছেন। অনেক নিম্নবিত্ত বলেন কম্বল দিয়ে ঘরে থাকা যায় কিন্তু আমাদের কাজের জন্য বাইরে যেতে হয়। কম্বল নিয়ে তো বাইরে যাওয়া যায় না। তাই কম্বলের চেয়ে শীতের ভারী কাপড় দিয়ে ভালো।





