আজ শবে কদর: প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ মার্চ ২০২৬, ৬:১২:১০ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: আজ সোমবার ২৬ রমজান। এ দিন দিবাগত রাতে লাইলাতুল কদর বলে অভিমত অধিকাংশ আলেমের। তবে ২০ রমজানের পর যেকোনো বেজোড় রাতে কদর হতে পারে বলে হাদিসে বলা হয়েছে।
লাইলাতুল কদরে মুহাম্মদ সা. এর ওপর পবিত্র কোরআন অবতীর্ণ হয় এবং এই রাতকে কেন্দ্র করে ‘কদর’ নামে একটি সুরাও নাজিল হয়। তাই মুসলমানদের কাছে শবে কদর অত্যন্ত মহিমান্বিত একটি রাত। কদরের রাতটি ইবাদত-বন্দেগিতে কাটিয়ে দেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
‘শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। তাই শবে কদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর বা সম্মানিত রাত। যে রাতে পবিত্র কোরআন নাজিল হয়েছে, সে রাতই লাইলাতুল কদর। পবিত্র কোরআনে এই রাতকে হাজার মাসের চেয়ে সেরা রাত বলা হয়েছে।
এই রাতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা.-এর অনুসারীদের সম্মান বৃদ্ধি করা হয় এবং মানবজাতির ভাগ্য পুননির্ধারণ করা হয়। সারা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে তাই এই রাত অতীব পুণ্যময় ও মহিমান্বিত।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মতো বাংলাদেশের মুসলমানরাও নিজেদের গুনাহ মাফ এবং সওয়াব হাসিলের আশায় নফল ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত ও জিকির-আসকারের মধ্যদিয়ে অতিবাহিত করেন রাতটি।
প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা: এদিকে পবিত্র লাইলাতুল কদর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল রোববার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, লাইলাতুল কদর মহিমামণ্ডিত ও বরকতময় এক রাত। পবিত্র কোরআনুল কারিম রমজান মাসের এই মহিমান্বিত রাতেই অবতীর্ণ হয়েছে এবং মহান আল্লাহ তাআলা এ রাতকে হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, এই রাত মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমতের বার্তা নিয়ে আসে। ইবাদত-বন্দেগি, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ সৃষ্টি হয়। তারেক রহমান বলেন-রমজান মাস সংযম, আত্মশুদ্ধি, সহনশীলতা ও মানবিক গুণাবলির জাগরণের মাস। পবিত্র লাইলাতুল কদরের শিক্ষা ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত করে।
দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই যেন এই রাতের তাৎপর্য অনুধাবন করে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি করেন এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগ করেন। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, পবিত্র লাইলাতুল কদরের অসীম রহমত ও বরকত যেন সবার ওপর বর্ষিত হয়। দেশ ও জাতিকে যেন আল্লাহ অগ্রগতি, শান্তি, সম্প্রীতি এবং কল্যাণের পথে পরিচালিত করেন।


