যোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে বিবিসিসিআই প্রতিনিধিদলের সাক্ষাত
প্রকাশিত হয়েছে : ০৬ জুলাই ২০২৬, ৬:৪২:০৭ অপরাহ্ন
লন্ডন সংবাদদাতা: যুক্তরাজ্য সফররত বাংলাদেশ সরকারের যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিবিসিসিআই)-এর একটি প্রতিনিধিদল।
রোববার বিকেলে পশ্চিম লন্ডনের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বিবিসিসিআই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন চেম্বারের নবনির্বাচিত ডিরেক্টর জেনারেল মুসলেহ আহমেদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, চেম্বারের সিনিয়র ডিরেক্টররা, সাবেক প্রেসিডেন্ট মাতাব চৌধুরী ও সাইদুর রহমান রেনু, ডিরেক্টর শফিকুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া ওয়েছ এবং বাংলাদেশে রেলওয়ে খাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান আইএম পাওয়ার পিএলসি-এর চেয়ারম্যান গর্ডন ডিকি।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, সংযোগ বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বিবিসিসিআই প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। একই সঙ্গে বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণ, পরিবহন ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণ এবং যুক্তরাজ্যভিত্তিক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রতিনিধিদল জানায়, যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ব্রিটিশ বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করছেন। এই অবদান আরও বাড়াতে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বিবিসিসিআই প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সংগঠনটির দীর্ঘদিনের ভ‚মিকার প্রশংসা করেন। তিনি অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
বৈঠক শেষে বিবিসিসিআই-এর ডিরেক্টর জেনারেল মুসলেহ আহমেদ বলেন, ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি সবসময় যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে আসছে। উভয় দেশের স্বার্থে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও ব্যবসায়িক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করছি।
বৈঠক শেষে উভয়পক্ষ নিয়মিত সংলাপ অব্যাহত রাখা এবং বাংলাদেশ সরকার, বিবিসিসিআই ও বৃহত্তর ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে আরও শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হন। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।






