জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. এক্সক্লুসিভ

শহরতলীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বেহাল অবস্থা 


প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ আগস্ট ২০২৬, ৬:৪৭:২৫ অপরাহ্ন

# সদরে নেই কোনো বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

# বরাদ্দ নেই, কার্যক্রমও নেই: উপজেলা প্রশাসন

# ২৭ ওয়ার্ডের জনবল দিয়েই চলছে সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা

মামুন পারভেজ

সিলেট সদর উপজেলায় নেই বর্জ্য ব্যবস্থপনা। সিটি করপোরেশনের নেই পর্যাপ্ত জনবল ও পরিবহন, ২৭ ওয়ার্ডের জনবল ও বর্জ্য অপসারণ সরঞ্জামাদি দিয়ে চলছে ৪২ ওয়ার্ডের কাজ। তাই জনসাধারণ পাচ্ছেন না কাক্সিক্ষত সেবা, বাধ্য হয়ে নদী-নালা, ছড়া-খাল ও ডোবা-পুকুর, উন্মুক্ত স্থানে ফেলছেন ময়লা আবর্জনা। এতে পরিবেশ ও জীববৈচিত্রের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। জমে থাকা ময়লা আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ও রোগ জীবণু ছড়াচ্ছে। শুধু মাত্র নগরের আশপাশ এলাকার জনসাধারণ পাচ্ছেন সেবা দাবি সংশ্লিষ্টদের।

সিলেট সিটি করপোরেশনের একাংশসহ সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন, হাটখোলা ইউনিয়ন, কান্দিগাঁও ইউনিয়ন, খাদিমনগর ইউনিয়ন, খাদিমপাড়া ইউনিয়ন, মোগলগাঁও ইউনিয়ন, টুকের বাজার ইউনিয়ন ও টুলটিকর ইউনিয়নের কয়েক লাখ মানুষ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সেবার বাইরে রয়েছেন।

সিলেট সিটি করপোরেশন সূত্র জানায়, সিলেট নগরে প্রতিদিন ময়লা প্রায় ৪৭৫টন ময়লা আবর্জনা উৎপাদন হয় যার মধ্যে প্রায় ৩০০ টন সংগ্রহ করা হয়। তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন সিলেট সিটির মধ্যে ও বাইরে উৎপাদিত বর্জ্যের বড় একটা অংশ এখনো হিসাবে বাইরে রয়ে যাচ্ছে এবং তা সিটি করপোরেশনের হিসাবের থেকে কয়েকগুণ বেশি বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা। যার এক তৃতীয়াংশই অপচনশীল পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্য। যা পরিবেশের ওপর মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।

সরেজমিনে গত বৃহস্পতিবার সিলেট শহরতলীর সুরমা গেইট বিসিক শিল্প-এলাকার ও সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক লাগোয়া পরত্যিক্ত ডোবার পাশেই বিশাল ময়লার স্তুপ দেখা যায়। দেখে যে কেউ মনে করতে পারেন এটা ডাম্পিং স্টেশন। আশপাশে থাকা স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ ৬ মাসের বেশি সময় ধরে ময়লা আবর্জনা জমিরে রাখা হয়েছে।

সরেজমিনে সদর উপজেলার খাদিমপাড়া ইউনিয়নের দাসপাড়া, বটেশ^র এলাকার গইলাপাড়া ও খাটিমারা এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যত্রতত্র খোলা স্থানে ময়লা আবর্জনা ফেলা হয়েছে। ছড়া ও খাল তীরবর্তী মানুষজন ছড়ায় ময়লা আবর্জনা ফেলছেন। যা পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

এসময় স্থানীয় বাসিন্দা স্কুল শিক্ষিকা ঈশিতা ঘোষ চৌধুরী বলেন, ‘বাড়ির আশপাশে খোলাস্থানে, ডোবা ও ছড়া-খালে ময়লা আবর্জনা ফেলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করা হচ্ছে। এসব ময়লা আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ও রোগ জীবাণু ছড়াচ্ছে। প্রায় প্রত্যেকটি বাসাবাড়ির সামনে ময়লার ভাগাড়। খুবই বাজে অবস্থা। বটেশ^র এলাকায়  বিসিক শিল্প এলাকা থেকে শুরু করে সেনানিবাসসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ অফিস ও স্থাপনা রয়েছে।  সিলেট সিটি করপোরেশনের মতো উপজেলাগুলোকেও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় নিয়ে আসা উচিত। স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে সচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের কাজ করতে হবে।’

শহর বাঁচাতে গ্রামকেও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে বলে মনে করেন সিলেট সদর উপজেলার ৭-নম্বর মোগল গাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা কবি ওয়াহিদ রোকন। তিনি বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশন প্রতিবছর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বিপুল অর্থ ব্যয় করে। কিন্তু শহরের বাইরের গ্রাম ও মফস্বলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহের কোনো ব্যবস্থা নাই। ফলে আবর্জনা খাল, নদী ও জলাশয়ে পড়ে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সংকট তৈরি করছে। প্রশাসনিক আইনে সিটি কর্পোরেশনের দায় সীমিত হতে পারে, কিন্তু পরিবেশের কোনো সীমানা আছে কি ? গ্রামের দূষিত খাল-নদী শেষ পর্যন্ত শহরের পানিপ্রবাহ, জীববৈচিত্র‍্য ও জনস্বাস্থ্যের ওপরই আঘাত হানে। তাই শহরের চারপাশের গ্রামাঞ্চলরে বাদ দিয়ে টেকসই নগর পরিকল্পনা সম্ভব নয়। সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ে শহর-সংলগ্ন এলাকায় বর্জ্য সংগ্রহ, খাল পুনঃখনন এবং পরিবেশ সচেতনতা কর্মসূচি গ্রহণও এখন সময়ের দাবি। পরিচ্ছন্ন নগরের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে পরিচ্ছন্ন গ্রামরেও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ করতে হবে।’

উপজেলা প্রশাসন বলছে, বর্জ্য ব্যবস্থপনার জন্য আলাদা বরাদ্দ নেই। তাই তাদের বর্জ্য ব্যবস্থানা বিভাগ নেই। তবে জনদাবির প্রেক্ষিতে কার্যক্রম শুরু করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

সিলেট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা খোশনূর রুবাইয়াত বলেন, ‘সদরে বর্জ্য ব্যবস্থপনা কার্যক্রম নেই। তবে আমাদের কাছে আবেদন জানালে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলাপ করে ব্যবস্থা নেব। ইতোমধ্যে হাটখোলা ইউনিয়নের শিবেরবাজার এলাকা সীািমত পরিসরে সড়ক পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে। সেটা দাবির প্রেক্ষিতে। এরকম দাবি উঠলে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম শুরু করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।’

সিলেট সিটি করপোরেশন বর্জ্য বিভাগ বলছে, ২৭টি ওয়ার্ডের জনবল ও পরিবহন দিয়ে ৪২টি ওয়ার্ড চালাতে হচ্ছে। কয়েক শিফটে জনবল কাজ করছেন। তারপরও কিছু এলাকায় এখনো বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্যক্রম শুরু করা যায়নি। আর নতুন যেসব ওয়ার্ড যুক্ত হয়েছে সেসব এলাকায় সমস্যা দুটি- এক, মানুষ সচেতন না, টাকা দিয়ে ময়লা ফেলতে চায় না, দুই, যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো উন্নত না হওয়ায় গাড়ি পৌছায় না। এছাড়া, পরিবহন লোকবল সংকট রয়েছে। বর্তমানে ১৫ থেকে ২০টি ভ্যান গাড়ির কাজ ৫টি দিয়ে সারতে হচ্ছে।

সিলেট সিটি করপোরেশন বর্জ্য বিভাগ জানায়, সেবা নিশ্চিতে সিটি করপোরেশনের আরও কমপক্ষে ১০০টি ভ্যান প্রয়োজন, কমেপক্টর আছে ৩০টি প্রয়েজেন আরও ২টি ও খোলা ট্রাক আছে ২৫টি আছে আরও ৫টি প্রয়োজন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জনবল সংকটের কারণে সিলেট সিটি করপোরেশনের সড়ক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও নগরের আম্বরখানা-টিলাগড়, উপশহর- কাজিরবাজার সেতু ও মদিনা মার্কেট পর্যন্ত সীমাবদ্ধ।

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন বলেন, ‘আমরা ২৭টি ওয়ার্ডের জনবল নিয়ে ৪২টি ওয়ার্ডে সেবা দিচ্ছি। নতুন যেসব ওয়ার্ড সিটিতে যুক্ত হয়েছে সেখানে ইতোমধ্যে সিসিকের বর্জ্য বিভাগ কাজ করছে। তবে সেসব এলাকায় দুটি সমস্যার সম্মুখীন আমরা হচ্ছি। এক, মানুষ সচেতন না, টাকা দিয়ে ময়লা ফেলতে চায় না, দুই, যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনো উন্নত না হওয়ায় গাড়ি পৌছায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিটির আওতার বাইরেও বিশেষ নির্দেশনায় কিছু কাজ করে সিটি করপোরেশনের বর্জ্য বিভাগ। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়সহ বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ময়লা অপসারণের কাজ করে সিটি করপোরেশন। সীমিত লজিস্টিক সাপোর্ট নিয়ে সেবা নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে সিসিকের বর্জ্য বিভাগ। তাই চাইলেই অনেক সময় সিটির বাইরের এলাকার বর্জ্য অপসারণ করা সম্ভব হয় না। তবে বটেশ^র এলাকাটি সিটি করপোরেশনের আওতায় নিয়ে আসাটা জরুরি।’

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক জহির বিন আলম বলেন, গ্রামীণ জনপদে বিশ^ায়নের ছোঁয়া লেগেছে। শহর বড় হচ্ছে, বাড়ছে স্থাপনাও। আমাদের এখানে কখনোই উপজেলা পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থপনা ছিল না। বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। অপচনশীল বর্জ্য পরিবেশ তথা ভূমির মারাত্মক ক্ষতি সাধিত করে। এটা পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের বর্জ্য ব্যবস্থপনার বাজেট নেই। বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। সিটির তুলনায় তাদের আয়ের সুযোগও কম। জনসেচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উপজেলার আয় বৃদ্ধি করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করতে হবে।

স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়ে সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত (শংকর) বলেন, বর্জ্য মূলত দুই ধরণের। এক, মানুষের শরীরে তৈরি বর্জ্য ও দুই, গৃহস্থালি বর্জ্য। মানুষের তৈরি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সেনিটেশন বিষয়ে আমরা অনেকদূর এগিয়েছি। শহর থেকে গ্রামীণ জনপদে বেশির ভাগ মানুষই সেনিটারি পায়খানা ব্যবহার করেন। যার কারণে ইনফেকশনজনিত রোগে মৃত্যুর হার কমেছে। এখন গৃহস্থালী বর্জ্য অপসারণে কাজে গুরুত্বারোপ করা উচিত। রোগ জীবাণু পানি ও বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বাইরে যেসব এলাকা রয়েছে তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। পচনশীল বর্জ্য গর্তখুঁড়ে পুঁতে ফেলতে হবে। আর অপচনশীল বর্জ্য আগুনে পুড়িয়ে ফেলেতে হবে।

এ বিষয়ে সিলেটের নবাগত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থপনার বিষয়টি সিলেট সিটি করপোরেশ দেখে। সদর উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রম নেই।’ সিলেট সিটি করপোরেশনের আওতার বাইরে থাকা জনপদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অফিসে এসে সরাসরি কথা বলতে বলেন।

এ বিষয়ে সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম দৈনিক জালালাবাদকে বলেন, ‘বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ রক্ষা শুধু মাত্র শহর কেন্দ্রিক বিষয় না। এখন আমাদের বিভিন্ন উপজেলায় যেভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি স্থাপনাও বাড়ছে। সেই সাথে বাড়ছে বর্জ্যরে চাপ উপজেলা ভিত্তিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু করতে হবে। সরকারের নজরে নিয়ে এসে এ বিষয়ে কাজ করলে অনেকাংশে সফলতা পাওয়া যাবে। যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা ফেলায় পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে পাশাপাশি বাড়ছে অসুখবিসুখ। সরকারি হাসপাতালগুলোতে গেলেই তার প্রমাণ পাওয়া যাবে। স্থানীয় প্রশাসনের এ বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে।’

এ বিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দৈনিক জালালাবাদকে বলেন, ‘আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। জনবল বৃদ্ধির প্রস্তাব আমরা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছি, এখনো সে বিষয়ে চূড়ান্ত হয়নি। তবে আমাদের যে জনবল রয়েছে তা দিয়ে ৪২টি ওয়ার্ডের সেবা নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিচ্ছন্নতা কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক প্রচেষ্টায় সিসিক সীমিত জনবল নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। গত কোরবানী ঈদে নগরবাসী দেখেছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল ১২ ঘণ্টার মধ্যে নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করার। সিলেট সিটি করপোরেশন ৮ঘণ্টার মধ্যেই নগরের বর্জ্য অপসারণ করে। তবে শহরতলীর কিছু এলাকায় এখনো ভ্যানে ময়লা দিতে অনিহা দেখা যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, সচেতনা বৃদ্ধি করে যাতে সবাইকে বর্জ্যব্যবস্থাপনার আওতায় নিয়ে আসা যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের বাইরে যেসব এলাকা রয়েছে, তা কোনো না কোনো প্রশাসনিক জোনের মধ্যে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখলেই সহজেই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্ভব হবে।’

এক্সক্লুসিভ এর আরও খবর
সবুজ সিলেট রক্তে রাঙা

সবুজ সিলেট রক্তে রাঙা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গোলাপগঞ্জের ৭ শহীদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গোলাপগঞ্জের ৭ শহীদ

৩৪তম বর্ষের পদার্পন অনুষ্ঠানে বিরোধী দলীয় নেতা: জালালাবাদ কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, জনগণের মুখপত্র হোক

৩৪তম বর্ষের পদার্পন অনুষ্ঠানে বিরোধী দলীয় নেতা: জালালাবাদ কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, জনগণের মুখপত্র হোক

সর্বশেষ সংবাদ
বন্যার ক্ষতিপূরণে জাতিসংঘে ২ কোটি ডলার চাইবে নেপাল
বন্যার ক্ষতিপূরণে জাতিসংঘে ২ কোটি ডলার চাইবে নেপাল
দেশ ছাড়ার চেয়ে ১০ বছর জেল খাটাকে বেছে নেব: আসিফ মাহমুদ
দেশ ছাড়ার চেয়ে ১০ বছর জেল খাটাকে বেছে নেব: আসিফ মাহমুদ
প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান-পদায়নে সুখবর
প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান-পদায়নে সুখবর
ফের বন্ধ চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানার উৎপাদন
ফের বন্ধ চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানার উৎপাদন
পলাতক আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা না করে : মাহদী আমিন
পলাতক আসামিরা যেন অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা না করে : মাহদী আমিন
প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: জামায়াত আমির
প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: জামায়াত আমির
ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু
ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু
ইউপি নির্বাচন: বৈঠকেও চূড়ান্ত হলো না তারিখ
ইউপি নির্বাচন: বৈঠকেও চূড়ান্ত হলো না তারিখ
মহাসড়কে আগস্টে ৪৮১ জনের প্রাণহানি
মহাসড়কে আগস্টে ৪৮১ জনের প্রাণহানি
দোয়ারাবায় ৬৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১
দোয়ারাবায় ৬৩০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১
জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন এডহক কমিটিকে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অভিনন্দন
জেলা ক্রীড়া সংস্থার নতুন এডহক কমিটিকে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের অভিনন্দন
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবন বিপর্যস্ত: বাসদ
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবন বিপর্যস্ত: বাসদ
হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন
তাহিরপুরের বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
তাহিরপুরের বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
ব্যবসায়ীদের অস্তিত্ব রক্ষায় সিলেটে সৃজনশীল পণ্য মেলা বন্ধের দাবি
ব্যবসায়ীদের অস্তিত্ব রক্ষায় সিলেটে সৃজনশীল পণ্য মেলা বন্ধের দাবি
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top