সিলেটে হামে আরেক শিশুর মৃত্যু
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:০৫:৪৫ অপরাহ্ন
নতুন ভর্তি আরও ১৬৪

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮ মাস বয়সী ফাবিহা মারা যায়। এনিয়ে চলতি বছর সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৯ জনে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা. মো. মাহবুবুল আলম।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৬ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে সন্দেহজনক হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৬০ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৪৪ জন, জালালাবাদ রাগিব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৭ জন এবং সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩৫ জন রয়েছেন।
বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৬৩ জন সন্দেহজনক হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬৭ জন, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪৫ জন, জালালাবাদ রাগিব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫ জন, নর্থ ইস্ট হাসপাতালে ৩ জন, পার্কভিউ মেডিকেল হাসপাতালে ১০ জন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৫ জন, বিশ্বনাথে ৩ জন, বিয়ানীবাজারে ৬ জন, গোলাপগঞ্জে ১১ জন, ফেঞ্চুগঞ্জে ২ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৫২ জন, ধর্মপাশায় ১ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৩ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ৪০ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম ও উপসর্গে মোট ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে ১৬৯ জন এবং নিশ্চিত হাম রোগে ১০ জন মারা গেছেন। জেলা হিসেবে সিলেটে ৭২, হবিগঞ্জে ২৬, মৌলভীবাজারে ১৫ এবং সুনামগঞ্জে ৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত বিভাগে ১ হাজার ৬৯ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সিলেটে ৩৯৬, হবিগঞ্জে ১৫৮, মৌলভীবাজারে ১৫৮ এবং সুনামগঞ্জে ৩৫৭ জন।
প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুবরণকারী শিশু ফাবিহা সিলেট সদর উপজেলার বাসিন্দা।
এর আগের দিন রোববার বিভাগে হাম উপসর্গে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। একই সময়ে ১৬৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। একদিন পর মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও নতুন রোগী ভর্তি ও নিশ্চিত হাম শনাক্তের সংখ্যা ফের বেড়েছে।






