সিলেটের বাউল-সাধকদের সৃষ্টি নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন: সিসিক প্রশাসক
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৯:১৭ অপরাহ্ন

সিলেটের বাউল-সাধক ও গীতিকবিদের গান ও সৃষ্টিকে সংরক্ষণ এবং এ নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
রোববার বিকেলে সিলেট নজরুল একাডেমি মিলনায়তনে বাউল বশিরউদ্দিনের শ্রদ্ধা ও স্মরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, সিলেটের পরিচয়ের সঙ্গে চা, গ্যাস ও প্রাকৃতিক সম্পদের পাশাপাশি বাউল-সাধক ও গীতিকবিদের সৃষ্টিও গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। আব্দুল করিমসহ এ অঞ্চলের বহু বাউল ও গীতিকবি তাঁদের গান ও সুরের মাধ্যমে মানুষের জীবন, দর্শন ও অনুভূতি তুলে ধরেছেন। এসব গান দেশের গণ্ডি পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গসহ বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
তিনি বলেন, সিলেটের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকসংস্কৃতির এই ধারাকে আরও গভীরভাবে জানতে গবেষণা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গবেষক ও একাডেমিশিয়ানদের এ বিষয়ে এগিয়ে আসতে হবে। গীতিকবি, সুরকার ও বাউল-সাধকদের জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রামাণ্য গবেষণা হলে তাঁদের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে আরও ভালোভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, বাউল ও লোকসংগীতের ঐতিহ্য সংরক্ষণে আয়োজিত যেকোনো উদ্যোগে তাঁর অবস্থান থেকে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে ডিসেম্বর মাসে বাউল মেলা বা বাউল সম্মেলন আয়োজনের যে উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে, সেটি সফল করতেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।
উস্তাদ নিশিকান্ত দাস শিল্পী গোষ্ঠী আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষক সুমনকুমার দাশ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আমিরুল ইসলাম চৌধুরী বাবু, সম্মিলিত নাট্য পরিষদ সিলেটের প্রধান পরিচালক শামসুল বাসিত শেরো প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বাউল শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞপ্তি





