সুরমার তীরে মোবাইল ব্যবসার বর্জ্য কদমতলীতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করলেন সিসিক প্রশাসক
প্রকাশিত হয়েছে : ০১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৫:৩২ অপরাহ্ন
সিলেট নগরীর কদমতলী দরিয়াশাহ মাজার সড়কের পাশে সুরমা নদীর তীরে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মোবাইল ও ইলেকট্রনিক পণ্যের পরিত্যক্ত সামগ্রীসহ অপঁচনশীল বর্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে নদীর পানি ও পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কদমতলী এলাকার নদীতীর পরিদর্শন করে সুরমার তীরে কোনো ধরনের বর্জ্য না ফেলতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
এ সময় তিনি বলেন, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য ‘গ্রিন নগরী’ গড়ে তুলতে চায় সিসিক। কিন্তু যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। বিশেষ করে পলিথিন ও অন্যান্য অপঁচনশীল বর্জ্য নদী, ছড়া ও ড্রেনে ফেলায় স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং জনস্বাস্থ্যও হুমকির মুখে পড়ছে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে শুধু সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। ব্যবসায়ীসহ নগরীর সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে। নদীর তীর, ছড়া কিংবা ড্রেনে বর্জ্য ফেলে পরিবেশ নষ্ট করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে কেউ নদীর তীর বা ছড়া-ড্রেনে বর্জ্য ফেললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নগরবাসীর জন্য পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা এবং সর্বোচ্চ নাগরিকসেবা নিশ্চিত করাই সিসিকের লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন।
এ সময় আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, নগরীর শাহজালাল সেতুর পাশে থাকা খালি জায়গায় একটি ফুটসাল মাঠ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে শিশু-কিশোর ও তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে এবং অব্যবহৃত জায়গাটি জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হবে।
পরিদর্শনকালে সিসিকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবেদীন, ২৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আক্তার রশীদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।






