আদা-রসুন-পেয়াজের দাম বেড়েছে
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩২:১৪ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : এক সপ্তাহের ব্যবধানে নিত্যপণ্যের বাজারে বেড়েছে আদা, রসুন, পেয়াজ ও আলুর দাম। অপরিবর্তিত রয়েছে চাল, ডাল, ডিম, তেল ও মাংসের দাম। সরবরাহভেদে ওঠা-নামা করছে শাক-সবজির দামও। তবে জ্বালানি তেল ও এলপি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাজারে কমেছে কেনাবেচার পরিমাণ। মাসের খরচেও সমন্বয় করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। বৃহস্পতিবার বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে পেয়াজ কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে ছিল ৪৪-৪৮ টাকা। আদা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৩০ টাকায়। দুদিন আগেও এর দাম ছিল ৯৫-১০০ টাকা। বড় রসুন ১৩০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট রসুন পাওয়া যাচ্ছে ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে। খুচরা বাজারে লাল ও সাদা দুই ধরনের আলু প্রতি কেজি ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় দাম কেজিতে ১-২ টাকা বেড়েছে।
ফার্মের মুরগির প্রতি ডজন লাল ডিম ১৪৫ ও সাদা ডিম ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট ও বড় সাইজের ব্রয়লার মুরগি ১৮০ টাকা ও মাঝারি সাইজেরগুলো ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা ও হাইব্রিড সোনালি বা কালারবার্ড ২৯০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা কেজি দরে। খাসি ১ হাজার ২৫০ ও ছাগল ১ হাজার ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ফ্রেশ খাসির মাংসের দোকানের স্বত্বাধিকারী মো. বাবুল।
চালের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও বিক্রি কমেছে। কেজি প্রতি বিআর আটাশ ৪৭-৪৮ টাকা, মিনিকেট ৬৮-৬৯ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪-৯২ টাকা ও চিনিগুড়া ১৮৯-১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে দোকানভেদে দামে কিছুটা তারতম্য দেখা গেছে। দেশি মসুর ডাল ১৫০ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ৯০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, বুট ১২০ টাকা কেজি ও পাঁচ লিটারের সয়াবিন তেলের বোতল ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে সবজির দামে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা ওঠা-নামা লক্ষ্য করা গেছে। চিচিঙ্গা ৫০-৬০ টাকা, ধুন্দল ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০-৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৩৫ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। তবে খুচরা বাজারে এসব সবজি কেজিপ্রতি ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।






