জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. সম্পাদকীয়

যৌতুকের জন্য নিমর্মতা


প্রকাশিত হয়েছে : ২৫ এপ্রিল ২০২১, ৭:২৯:১৩ অপরাহ্ন

রোববার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ‘গৃহবধূকে ন্যাড়া করে স্বামী-সতীনের নির্যাতন’ এবং ‘বিয়ের আসরে কনে পক্ষের উপহার নিয়ে মারামারি’ শীর্ষক দু’টি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রথম ঘটনাটি ঘটেছে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা লালাবাজার ইউনিয়নের শাহ সিকান্দর গ্রামে। এখানে যৌতুকের দায়ে স্বামী, সতীন ও ননদের অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন জনৈক গৃহবধু। গৃহবধূ দু’টি অবুঝ সন্তানের সামনে অসহায়ভাবে নির্যাতনের শিকার হন যৌতুকের জন্য। পেছনে তার হাত বেঁধে গোপন অঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে বৈদ্যুতিক শক দেয়া হয়। পৈশাচিক কায়দায় ন্যাড়া করে মাথায় ঢেলে দেয়া হয় গরম আলকাতরা। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের লোকজন স্বামীর গৃহ থেকে উক্ত গৃহবধূকে শিকল বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে উক্ত গৃহবধূর সাথে দক্ষিণ সুরমার শাহ সিকান্দর গ্রামের মৃত মনির আলীর ছেলে শাহিন মিয়ার বিয়ে হয়। বেশ কিছুদিন যাবৎ যৌতুকের জন্য স্বামী শাহিন মিয়া উক্ত গৃহবধূকে নির্মম নির্যাতন করছিলো। কয়েক দিন আগে শাহিন মিয়া তার স্ত্রীর মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তার মাথা ফেটে যায়। মাথায় চারটি সেলাই দিতে হয়। এরপর স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে এবং দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে গৃহবধূ তার পিতার নিকট থেকে ২০ হাজার টাকা এনে স্বামীর হাতে তুলে দেন। কিছু দিন পর স্বামী শাহিন মিয়া সাবিনা বেগম (২৫) নামে আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করেন। দ্বিতীয় বিয়ের পর শাহিন মধ্যপ্রাচ্যে চলে যান। কিন্তু কিছু দিন পর আবার দেশে ফিরে অসেন। দেশে এসে শাহিন প্রাইভেট কার চালাতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে আবারো গৃহবধূকে চাপ দেন তার পিতার নিকট থেকে ৫০ হাজার টাকা এনে দেয়ার জন্য। অভাবগ্রস্ত পিতার কাছে টাকা চাইতে পারবে না বলে জানালে শাহিন স্ত্রীকে দেহ ব্যবসার কথা বলেন। দেহ ব্যবসার কু-প্রস্তাবে রাজী না হলে তার ওপর শুরু হয় স্বামী ও সতীনের অমানুষিক নির্যাতন। তার শরীরে বৈদ্যুতিক শক দেয়ার পর স্বামী ও সতীন মিলে ব্লেড দিয়ে তার মাথা ন্যাড়া করে ঘর থেকে টেনে হিঁচড়ে বের করে মাথায় গরম আলকাতরা ঢেলে দেয়। গলায় জুতোর মালা পরিয়ে শিকল দিয়ে বারান্দায় বেঁধে রাখা হয় তাকে।
উপরের ঘটনাটি যৌতুকের জন্য নারী নির্যাতনের একটু নিষ্ঠুরতম ঘটনা। তবে যৌতুক বিরোধী আইন প্রণয়নের পর থেকে এবং মানুষের মাঝে যৌতুকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ সুরমায় সংঘটিত যৌতুকের জন্য এই নির্যাতনের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে অস্বাভাবিক ও নজিরবিহীন। তবে একথা সত্য যে, যৌতুকের জন্য এ ধরণের দৈহিক নির্যাতন ইদানিং কিছুটা কমে এলেও ভিন্ন আঙ্গিকে এটা সমাজে বিদ্যমান। যৌতুকের জন্য স্বামী কিংবা স্বামীর বাড়ির লোকজনের পক্ষ থেকে স্ত্রী ও তার পিতামাতা ও ভাইয়ের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টির ঘটনা অহরহ ঘটছে। অনেক সময় স্বামীর বিদেশ যাওয়ার জন্য কিংবা দেশে ব্যবসার জন্য টাকা দাবী করা হচ্ছে যৌতুক হিসেবে। বিয়ের সময় উপহারের নামে দাবি করা হচ্ছে যৌতুক। এর ফলে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ও অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা পর্যন্ত ঘটছে। খবর নিলে দেখা যাবে, বর্তমানে সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনাগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই যৌতুকের কারণে ঘটছে। নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত আদালতে এ ধরণের অসংখ্য মামলা এখন বিচারাধীন বলে জানা গেছে।
দেখা গেছে, অনেক সচ্ছল পরিবার মেয়ের বিয়েতে বিস্তর দামী জিনিসপত্র এমনকি নগদ অর্থও প্রদান করেন। এভাবে বিয়েতে এসব প্রদানের বিষয়টি অনেকটা প্রথা বা রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। এসব প্রকারান্তরে অসচ্ছল পরিবারগুলোতে যৌতুক দাবি ও আদায়ে উৎসাহিত করছে। এ ধরণের আরো কিছু ক্ষতিকর সামাজিক প্রথা বিদ্যমান। যেমন স্ত্রীর পিতামাতা, ভাই কর্তৃক রমজানে বিপুল অর্থ ব্যয়ে স্বামীর বাড়িতে ইফতারি প্রদান। এগুলোও সমাজের ঘৃন্য ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ যৌতুক প্রথার পেছনে ইন্ধন যোগাচ্ছে। সকল সচেতন ও বিবেকবান মানুষ এই জঘন্য প্রথা ও রেওয়াজ বর্জন করার আহবান জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এতে অবশ্য ফলও হয়েছে। বর্তমান সময়ে কিছুটা হলেও এসব হ্রাস পেয়েছে। পত্র-পত্রিকা ও সামাজিক আহবানের ফলে অনেকের মাঝে এ ব্যাপারে সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। কোন সভ্য সমাজে যৌতুক দাবি কিংবা যৌতুকের জন্য নারী নির্যাতন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আমরা উপরে উল্লেখিত যৌতুকের জন্য নির্যাতনের সাথে জড়িতের উপযুক্ত আইনানুগ শাস্তি দাবি করছি এবং এ ধরণের ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা ও জনমত গড়ে তোলার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

সম্পাদকীয় এর আরও খবর
ডাকসু: সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের মঞ্চ

ডাকসু: সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের মঞ্চ

সম্পদের রেকর্ড গড়ার বছর ২০২৬

সম্পদের রেকর্ড গড়ার বছর ২০২৬

বাস্তব, না কল্পনা বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাবে শ্রমিক!

বাস্তব, না কল্পনা বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাবে শ্রমিক!

তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হতাহতের ঘটনা

তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হতাহতের ঘটনা

সর্বশেষ সংবাদ
ডেঙ্গুতে সিলেটে ৩য় মৃত্যু : আক্রান্ত ৩০০ ছাড়ালো
ডেঙ্গুতে সিলেটে ৩য় মৃত্যু : আক্রান্ত ৩০০ ছাড়ালো
একদিনের ব্যবধানে সুর বদল : ইউপি ভোট নিয়ে ইসির পিছুটান
একদিনের ব্যবধানে সুর বদল : ইউপি ভোট নিয়ে ইসির পিছুটান
রাষ্ট্রপতি আসবেন বলে!
রাষ্ট্রপতি আসবেন বলে!
সিলেট সীমান্তে বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ
সিলেট সীমান্তে বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ
এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩৪
এসএমপির ২৪ ঘন্টার অভিযানে গ্রেফতার ৩৪
সিলেটে আরও ৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে আরও ৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে হামে আরেক মৃত্যু
সিলেটে হামে আরেক মৃত্যু
সিলেটে রাষ্ট্রপতির ব্যস্ত সময় পার
সিলেটে রাষ্ট্রপতির ব্যস্ত সময় পার
গণতন্ত্র রক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই এখন বড় দায়িত্ব : নাগরিক সংবর্ধনায় রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্র রক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই এখন বড় দায়িত্ব : নাগরিক সংবর্ধনায় রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করা নিয়ে মহানগর বিএনপির বিবৃতি
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করা নিয়ে মহানগর বিএনপির বিবৃতি
তৃপ্ত নন আরিফ
তৃপ্ত নন আরিফ
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনাস্থলে আকস্মিক বিদ্যুৎবিভ্রাট
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনাস্থলে আকস্মিক বিদ্যুৎবিভ্রাট
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড
ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আওয়ামীলীগ নেতার মৃত্যুদণ্ড
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির !
রাষ্ট্রপতির সংবর্ধনা বর্জন মহানগর বিএনপির !
প্রতারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের
প্রতারণার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান মার্কিন দূতাবাসের
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top