জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. সম্পাদকীয়

আদানির বিদ্যুৎ গলার ফাঁস!


প্রকাশিত হয়েছে : ০৪ মার্চ ২০২৩, ১২:৩০:৪০ অপরাহ্ন

ইদানিং বিদ্যুৎখাতে ভর্তুকির অজুহাতে উপর্যুপরি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিদ্যুতের দাম না বাড়ালে সরকারকে প্রতি বছর হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে, এমন দাবি সরকারের। কিন্তু ভারতীয় কোম্পানী আদানির সাথে অন্যায় ও অসম বিদ্যুৎ চুক্তির ফলে প্রতি বছর যে হাজার হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারকে, এ বিষয়টি দিব্যি এড়িয়ে যাচ্ছেন ক্ষমতাসীনরা।
২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রথম বাংলাদেশ সফরের ২ মাসের মাথায় ১১ আগস্ট আদানি পাওয়ার এর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে পিডিবি। কিন্তু সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের ২ বছর পর ২০১৭ সালে সরকারকে ভারতের ঝাড়খন্ডে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি করে। অথচ দেশে ইতোমধ্যেই কয়েকটি বড়ো বিদুৎ কেন্দ্রের কাজ চলছিলো। এ ব্যাপারে দেশ বিদেশের কয়েকজন বিশেষজ্ঞের অভিমত হচ্ছে, চুক্তিটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং শুধু মাত্র আদানি গ্রুপের সুযোগ সুবিধা বিবেচনা করেই তা করা হয়েছে।
সিডনি ভিত্তিক ক্লাইমেট এনার্জি ফাইন্যান্স, অষ্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ টিম বাকলি বলেছেন, এক কথায় এই চুক্তিটিতে কেবল আদানিই জিতেছে। এই চুক্তিটি এতোটাই বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী যে, আমি ভাবছি, কোন সচেতন মানুষ কেনো বাংলাদেশের পক্ষে এই চুক্তিটি সই করবেন।
ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঘনিষ্টজন গৌতম আদানির প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে করা চুক্তির সবচেয়ে লুন্ঠনমূলক দিক রয়েছে কয়লার দাম ও ক্যাপাসিটি চার্জ অর্থাৎ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাড়ার মধ্যে। আর যে কয়লা দিয়ে আল্ট্রাসুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির এই পাওয়ার প্লান্টে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে তার দাম নির্ধারণ করা হবে ইন্দোনেশিয়ার কয়লা সূচক ও অস্ট্রেলিয়ান নিউক্যাসল সূচক অনুযায়ী। দু’টো সূচকের গড় দামে প্রতি কেজি ৬৩৩২ কিলোক্যালরি মানের কয়লার দাম যা হবে, তার ভিত্তিতে ওই মাসের কয়লার দাম নির্ধারণ করা হবে। এর অর্থ হলো, আদানি পাওয়ার যদি অন্য দেশ থেকে কম দামে কয়লা কিনে, আর সূচকের দাম বেশি থাকে, তবুও তারা বেশি দাম নিতে পারবে। অভিযোগ রয়েছে, কয়লার ক্যালোরিফিক মান তারা কম করে ধরেছে, যাতে বেশি পরিমান কয়লা ব্যবহার করতে হয়।
পিপিএ’তে উল্লেখ করা হয়েছে, পিডিবির কাছে কেজি প্রতি ৪৬০০ কিলোক্যালারি মানের কয়লার দাম নেবে আদানি। এ প্রসঙ্গে টিম বাকলি বলেন, আদানি যে কয়লা ব্যবহার করবে, সেই গুণমানের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এমন একটি সূচকে যদি দাম নির্ধারণ করা হয়, তাহলে কীভাবে সেটা ন্যায্য হতে পারে? এছাড়া আদানি পাওয়ারের সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, কোন যুদ্ধ বিগ্রহ বা দৈব দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ যদি বিদ্যুৎ না নিতে পারে তবুও ক্যাপাসিটি চার্জ ও জরিমানাসহ সবধরণের পাওনা তাদের দিতেই হবে। কিন্তু এই কারণে যদি তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পারে তবে পিডিবিকে কোন ধরণের ক্ষতিপূরণ দিতে তারা বাধ্য নয়। রাজনৈতিক কোন কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটা মেরামত ও এ সংশ্লিষ্ট সব ব্যয় পিডিবিকে দিতে হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে যে ১ হাজার ৪৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে, তা বাংলাদেশের গ্রহণ করতে পারার সম্ভাবনা খুবই কম। আদানির এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ডেডিকেটেভ ট্রান্সমিশন লাইন বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে বিদ্যুৎ নিয়ে আসবে, যেটি শিল্পঘন অঞ্চল নয় এবং সেখানে এতো বেশি বিদ্যুতের চাহিদাও নেই। ফলে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অব্যবহৃতই রাখতে হবে এবং ক্যাপাসিটি চার্জ হিসেবে ডলার দিয়ে যেতে হবে।
বলা যায়, পুরো চুক্তিটি মোদীর ঘনিষ্টজন আদানিকে বাংলাদেশ সরকারের দেয়া একটি উপহার ছাড়া আর কিছুই নয়। সর্বোপরি, যে পরিমাণ বিদ্যুতের জন্য চরম অস্বাভাবিক মূল্য ও দায় নিয়ে সরকার এই চুক্তিটি করেছে, সেই বিদ্যুতের কোন প্রয়োজন নেই বাংলাদেশের। কারণ বর্তমানে যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে, তা দেশের বিদ্যুতের মোট চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক ভাষ্যকর অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেন, ভারত বা মোদী খুশি থাকলে আমাদের আপত্তি থাকার কথা না। কিন্তু তা যদি হয় বাংলাদেশের স্বার্থের বিনিময়ে এবং তাঁকে খুশি করতে গিয়ে যদি বাংলাদেশের মানুষকে বাড়তি বিদ্যুতের দাম পরিশোধ করতে হয় বছরের পর বছর তাহলে অবশ্যই আমাদের প্রতিবাদ করতে হবে।

সম্পাদকীয় এর আরও খবর
ডাকসু: সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের মঞ্চ

ডাকসু: সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের মঞ্চ

সম্পদের রেকর্ড গড়ার বছর ২০২৬

সম্পদের রেকর্ড গড়ার বছর ২০২৬

বাস্তব, না কল্পনা বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাবে শ্রমিক!

বাস্তব, না কল্পনা বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাবে শ্রমিক!

তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হতাহতের ঘটনা

তুচ্ছ বিষয় নিয়ে হতাহতের ঘটনা

সর্বশেষ সংবাদ
সরকার গুমের ঘটনার তদন্ত চায় না: নাহিদ ইসলাম
সরকার গুমের ঘটনার তদন্ত চায় না: নাহিদ ইসলাম
গাছে স্যালাইন ঝুলিয়ে চিকিৎসা
গাছে স্যালাইন ঝুলিয়ে চিকিৎসা
১০১ চুক্তি পর্যালোচনায় ঢাকা, যা বলল ভারত
১০১ চুক্তি পর্যালোচনায় ঢাকা, যা বলল ভারত
হাসিনা যখনই আসুক, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: পর্যটনমন্ত্রী
হাসিনা যখনই আসুক, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: পর্যটনমন্ত্রী
ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
১১ দলীয় জোটের রংপুর অভিমুখী লংমার্চ কাল
১১ দলীয় জোটের রংপুর অভিমুখী লংমার্চ কাল
নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সোমবার : বিশ্বনেতাদের সাথে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর
নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সোমবার : বিশ্বনেতাদের সাথে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর
বিশ্ববাজারে ফের কমল তেলের দাম 
বিশ্ববাজারে ফের কমল তেলের দাম 
সার্ককে সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
সার্ককে সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু
জাতীয় গ্রিডে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে কাল
জাতীয় গ্রিডে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে কাল
১০ মাসের সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে 
১০ মাসের সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে 
অস্ত্রের তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে: এসআরবি 
অস্ত্রের তথ্যদাতাকে পুরস্কৃত করা হবে: এসআরবি 
রেজিস্টারী মাঠে আমিরে মজলিসের নাগরিক সমাবেশ সফল করে তুলুন : মাওলানা এমরান আলম 
রেজিস্টারী মাঠে আমিরে মজলিসের নাগরিক সমাবেশ সফল করে তুলুন : মাওলানা এমরান আলম 
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : এম এ মালিক এমপি 
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : এম এ মালিক এমপি 
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top