মোবারক হো মাহে রমজান
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ মার্চ ২০২৫, ১২:৫৫:১৭ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: মহিমান্বিত মাস রমজানের রহমতের দশদিন পেরিয়ে আজ আমরা মাগফিরাতের দশ দিনে পৌঁছলাম। নবী সা. বলেছেন, রমজানের প্রথম দশদিন রহমতের, মাঝের দশদিন মাগফিরাতের আর শেষের দশদিন জাহান্নাম থেকে নাজাতের।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর বান্দাদের জন্য মগফিরাতের হাত সবসময়ের জন্য প্রসারিত করে রেখেছেন। হাদিসে এসেছে প্রতিদিন সকাল শুরুর আগে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর মাগফিরাত বা ক্ষমার হাত ছড়িয়ে দেন আবার সন্ধ্যার দিকে সে হাত গুটিয়ে নেন। যাতে দিনের বেলা তাঁর কোনো বান্দা গুনাহের জন্য মাফ চায় কিনা এজন্য। এরপর রাতের শুরুতে আবার হাত প্রসারিত করেন এবং সকাল পর্যন্ত এভাবেই থাকে। যাতে রাতে যে সকল বান্দা গুনাহের জন্য তাওবা করে তাদের তিনি ক্ষমা করবেন। আর রাতের শেষভাগে তো তিনি নিজেই প্রথম আসমানে নেমে আসেন। বান্দাদের ডাকতে থাকেন কে আছো আমার কাছে চাও।
ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত একটি হাদিস। রাসুল সা. বলেন, ‘রমজানের প্রতি রাতেই একজন ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, হে সওয়াব খোঁজকারী এগিয়ে এসো। হে গুনাহকারী থামো, চোখ খুলো। তিনি আবার ঘোষণা করেন, ক্ষমাপ্রার্থীকে ক্ষমা করা হবে। অনুতপ্তের অনুতাপ গ্রহণ করা হবে। প্রার্থনাকারীর প্রার্থনা কবুল করা হবে।’
যাবতীয় গুনাহের কাজ থেকে বিরত থেকে রমজান মাসে রোজাদার যখন রোজা রেখে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে সৎপথে পরিচালিত হন, তখন মাসের ১০ দিন অতিবাহিত হলে তিনি আল্ল¬াহর রহমত অর্থাৎ দয়া ও করুনা পেয়ে ধন্য হন। এরপর যখন এমনিভাবে রমজান মাসের আরো ১০ দিন অতিবাহিত করেন, তখন আল্লাহ তায়ালা তার পাপগুলো ক্ষমা করে দেন। এরপরও যখন তিনি রমজানের শেষ ১০টি দিন এভাবে সিয়াম সাধনার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেন, তখন রোজাদার জাহান্নাম থেকে নাজাত বা মুক্তির গ্যারান্টি লাভে ধন্য হন। রাসুল সা. বলেন, ‘যারা রমজানের চাঁদের প্রথম তারিখ থেকে শেষ দিন পর্যন্ত রোজা রেখেছে, তারা সেদিনের মতোই নিষ্পাপ হয়ে যাবে, যেদিন তাদের মা তাদের নিষ্পাপরূপে জন্ম দিয়েছেন।’