অনলাইন প্রতারণা ও সীমান্তপারের অপরাধ ঠেকাতে সমঝোতা স্মারক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৪০:৩৭ অপরাহ্ন

মালয়েশিয়া প্রতিনিধি : সীমান্তপারের অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, মানবপাচার, অভিবাসী পাচার, জাল নথি ও পরিচয় অপব্যবহার ঠেকাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করছে মালয়েশিয়া। এ লক্ষ্যে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ ও মালয়েশিয়ান কমিউনিকেশনস অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া কমিশনের (এমসিএমসি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
মঙ্গলবার পুত্রজায়ায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী দাতো সেরি ফাহমি ফাদজিল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইলের উপস্থিতিতে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক বিনিময় করা হয়।
এ সমঝোতার মূল লক্ষ্য সীমান্তপারের অপরাধ মোকাবিলায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো। বিশেষ করে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ ও অনলাইন প্রতারণার ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় অপরাধ শনাক্ত, প্রতিরোধ ও দমনে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
সমঝোতা অনুযায়ী, সীমান্তপারের অপরাধী কর্মকাণ্ড শনাক্ত ও বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি মানবপাচার, অভিবাসী পাচার, জাল নথি তৈরি ও ব্যবহার এবং পরিচয় চুরির মতো অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সক্ষমতা জোরদার করা হবে।
মালয়েশিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সংঘটিত অপরাধ ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এসব অপরাধ দমনে তথ্য ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সমন্বিত ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ। নতুন সহযোগিতা কাঠামোর মাধ্যমে অপরাধ শনাক্ত ও দমনে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অনলাইন প্রতারণা, পরিচয় অপব্যবহার এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংঘটিত অন্যান্য অপরাধ থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়টিও এ সহযোগিতার অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী দাতুক সেরি ড. শামসুল আনুয়ার নাসারাহ, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব দাতুক আবদুল হালিম হামজা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব দাতুক আওয়াং আলিক জেমান, এমসিএমসির চেয়ারম্যান তান শ্রী মোহাম্মদ সালিম ফাতেহ দিন এবং দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নতুন এ সমঝোতার ফলে ইমিগ্রেশন ও ডিজিটাল যোগাযোগ খাতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হবে। এর মাধ্যমে সীমান্তপারের অপরাধের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা ও পরিচয় জালিয়াতির বিরুদ্ধে মালয়েশিয়ার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নজরদারি ও ব্যবস্থা গ্রহণের সক্ষমতা বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।






