বিশ্ব বসতি দিবস আজ: সিলেটে প্রথমবারের মতো উদযাপন
প্রকাশিত হয়েছে : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬:৫৯ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার: আজ সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস। প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়। এ বছর বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।
এদিকে সিলেটে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হবে। সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে আজ থেকে দুইদিন ব্যাপী কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে।
“সর্বজনীন বাসস্থান: টেকসই নগরায়ণ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সিলেটের রিকাবীবাজারস্থ স্টেডিয়াম সংলগ্ন মোহাম্মদ আলী জিমনেসিয়াম ভেন্যুতে দু’দিনব্যাপী এই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
জাতিসংঘ ১৯৮৫ সালে অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবারকে বিশ্ব বসতি দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। এর পরের বছর, ১৯৮৬ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। ‘বাসস্থান আমার অধিকার’ প্রতিপাদ্য নিয়ে কেনিয়ার নাইরোবিতে প্রথমবারের মতো দিবসটি পালিত হয়। এরপর প্রতিবছর ভিন্ন ভিন্ন প্রতিপাদ্য নিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।
এবারের বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে ৫ থেকে ৮ অক্টোবর ওমানের রাজধানী মাসকাটে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ‘আরবান অক্টোবর’-এর সূচনা হবে। একই সময়ে অনুষ্ঠিত ‘হোম অ্যান্ড বিল্ডিং এক্সপো’র সঙ্গেও বিশ্ব বসতি দিবসের আয়োজন যুক্ত থাকবে। বাংলাদেশেও প্রতিবছর বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এবার গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব বসতি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বসতি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মেলার উদ্বোধন করবেন।
বিশ্ব বসতি দিবস নগরায়ণের প্রবণতা, চ্যালেঞ্জ ও টেকসই সমাধান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি উন্নত বসবাসের পরিবেশ ও জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে শহর ও নগরের ভবিষ্যৎ গঠনে সবার দায়িত্ব ও অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দ্রুত নগরায়ণের চাপ মোকাবিলায় সবার জন্য নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পিত নগর উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধার সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্যের মূল তাৎপর্য।



