দিল্লিতে আটক নারী বিক্ষোভকারীদের মারধর ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ
প্রকাশিত হয়েছে : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২৮:৪৬ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লিতে চলমান বিক্ষোভে আটক নারী আন্দোলনকারীদের ওপর মারধর ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, পুলিশের ভ্যানে তোলার পর নারী পুলিশ সদস্যরা তাদের মারধর করেন। কয়েকজনের গলা চেপে ধরা, বুক ও যৌনাঙ্গে আঘাত করা এবং মুঠোফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম স্ক্রল ডট ইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব অভিযোগ করেন ওয়ার্কার্স পার্টি অব ইন্ডিয়ার সদস্য নওরিন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, রোববার মধ্য দিল্লিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশ ১৬ জনকে আটক করে একটি ভ্যানে তোলে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ জনই নারী ছিলেন। নওরিন অভিযোগ করেন, ভ্যানে তোলার পর নারী পুলিশ সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের একে একে মারধর করতে শুরু করেন। দিশা স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের সদস্য শারন্যাকে ভ্যানের ভেতরে ফেলে এক পুলিশ সদস্য তার গলা চেপে ধরেন।
আরেকজন কনুই দিয়ে তাকে আঘাত করেন বলেও দাবি করেন নওরিন। পরে এক পুলিশ সদস্য শারন্যাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান বলে জানান তিনি। নওরিনের আরও অভিযোগ, ভ্যানে থাকা অন্য নারী বিক্ষোভকারীদের বুক ও যৌনাঙ্গে আঘাত করা হয়। এ সময় কয়েকজনের মুঠোফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে বাধা : মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে শনিবার ও রোববার দিল্লিতে বিক্ষোভ করেন ককরোচ জনতা পার্টিসহ বিভিন্ন ছাত্র ও প্রতিবাদী সংগঠনের সদস্যরা। তাদের যন্তর মন্তরে যাওয়ার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বিক্ষোভকারীরা ওই এলাকার দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং অনেককে আটক করে। এ ঘটনার পর আটক নারী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে।






