সিকৃবিতে বিশ্ব ডিম দিবসে র্যালি
প্রকাশিত হয়েছে : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭:০৮:২৩ অপরাহ্ন
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ডিম বিতরণ, সেমিনার ও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদ ভবন-২-এর সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।
র্যালি শেষে পাঠশালা একুশের তত্ত্বাবধানে নগরীর বালুচর এলাকার সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে ডিম বিতরণ করা হয়। পরে একই ভবনের সম্মেলনকক্ষে ‘ডিমে পুষ্টি, ডিমে শক্তি, ডিমে আছে রোগমুক্তি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল ও বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন সিকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সফি উল্যাহ মজুমদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এ. টি. এম. মাহবুব-ই-ইলাহী, সংশ্লিষ্ট অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. মাহবুব, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুব ইকবাল এবং ওয়েস্টার পোল্ট্রি অ্যান্ড ফিশারিজ লিমিটেড, সিলেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইমরান হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সফি উল্যাহ মজুমদার বলেন, ডিম সহজলভ্য, পুষ্টিকর ও মানসম্মত প্রাণিজ আমিষের উৎস। মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণ, অপুষ্টি দূরীকরণ এবং সুস্থ-সবল জাতি গঠনে ডিমের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে শিশু-কিশোর, শিক্ষার্থী, গর্ভবতী নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি আরও বলেন, দেশের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পোল্ট্রি শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। নিরাপদ ও মানসম্মত ডিম উৎপাদন, পোল্ট্রির রোগ প্রতিরোধ, খামার ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞানের সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক, শিক্ষার্থী, খামারি, উদ্যোক্তা ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হাসান। সেমিনারে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস হোসেন।
সেমিনার শেষে পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এ ছাড়া পোল্ট্রি শিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একজন খামারি ও একজন সরকারি কর্মকর্তাকে ‘পোল্ট্রি শিল্প উন্নয়ন সম্মাননা স্মারক’ প্রদান করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সফি উল্যাহ মজুমদার। বিজ্ঞপ্তি






