কায়স্তরাইলে বসতঘরে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীর রক্তাক্ত লাশ
প্রকাশিত হয়েছে : ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৬:০৫ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমার কায়স্থরাইল এলাকায় নিজ বসতঘর থেকে মো. নুরুল ইসলাম (৬৫) নামে এক আমেরিকা প্রবাসীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে বাসার দ্বিতীয় তলার বাথরুম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় পাশে একটি দা পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটাকে আত্মহত্যা হিসেবে ধারণা করছে পুলিশ। কারণ ২০১৯ সালে তিনি ব্লেড দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কায়স্থরাইল এলাকার ২ নম্বর রোডের ২৫ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুল ইসলাম ওই এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে। তিনি কিছুদিন আমেরিকায় প্রবাসজীবন কাটানোর পর বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে ওই বাসায় বসবাস করছিলেন। তার মূল নিবাস মোগলাবাজার এলাকায়। তার দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে সাঈদ (৩৬) পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্যে এবং ছোট ছেলে শিহাব কবির (৩৩) যুক্তরাষ্ট্রে পরিবার নিয়ে বসবাস করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাসার বাথরুমে রক্তাক্ত অবস্থায় নুরুল ইসলামের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্ত্রী সালেহা বেগম চিৎকার করে স্থানীয়দের ডাক দেন। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে দক্ষিণ সুরমা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় মরদেহের পাশে রান্নাঘরে ব্যবহৃত একটি দা পাওয়া যায়। পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
এ ব্যাপারে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়ার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি) মোহাম্মদ আফজাল হোসাইন বলেন, এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ ঐ ব্যক্তি ২০১৯ সালের ১৬ জানুয়ারী বাথরুমে ব্লেড দিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তখন কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তিও ছিলেন তিনি। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ দেখা যাবে।






