শান্তি চুক্তির পর বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম
প্রকাশিত হয়েছে : ১৯ জুন ২০২৬, ৭:৫৭:৪১ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে শান্তি চুক্তি ¯^াক্ষরের পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল হয়েছে| আর তাতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ার বড় সম্ভাবনা ˆতরি হওয়ায় তেলের দাম নেমে এসেছে ৮০ ডলারের নিচে| বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বিশ্ব বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪৩ সেন্ট বা ০.৫৪ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৭৯.৪২ ডলারে নেমে এসেছে|
অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১৭ সেন্ট বা ০.২২ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৭৬.৪৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে| এছাড়া বাজারে বেশি বেচাকেনা হওয়া আগস্টের ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তির তেলের দাম ৩০ সেন্ট কমে প্রতি ব্যারেল ৭৫.৫৫ ডলারে বিক্রি হচ্ছে| বৃহস্পতিবার শন্তি চুক্তির খবরে দুই ধরনের তেলের দামই গত মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়| দুই দেশের প্রেসিডেন্ট ঐতিহাসিক ওই চুক্তিতে সই করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তিনটি সৌদি ট্যাংকারসহ বেশ কয়েকটি জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়| এসব ট্যাংকারে প্রায় ৬০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ছিল|
বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা ৮ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল বিশ্ববাজারে চলে আসবে| চুক্তি অনুযায়ী ইরানি তেলের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে বাজারে তেলের সরবরাহ আরো বাড়বে|
বাজার গবেষণা সংস্থা কেসিএম-এর প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, বাজারে তেলের দাম পরবর্তী দফায় আরও কমানোর আগে ব্যবসায়ীরা দেখতে চান হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার চলাচল আসলেই ¯^াভাবিক হচ্ছে কি না| তারা এখন সেই সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অপেক্ষায় আছেন| যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই সরবরাহ হত| শান্তি চুক্তি স্থায়ী হলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বাণিজ্য পুরোপুরি ¯^াভাবিক হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে|




