মানি চেঞ্জারে ডলার বিক্রির সীমা বৃদ্ধি
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১২:৪৩ অপরাহ্ন
জালালাবাদ ডেস্ক: বিদেশ ভ্রমণে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে নগদ ডলার কেনার সুযোগ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে একজন বিদেশগামী নাগরিক তার বার্ষিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ কোটার বিপরীতে একবারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার নোট ও মুদ্রা আকারে কিনতে পারবেন। আগে এই সীমা ছিল ২ হাজার ডলার। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত এক সার্কুলারে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।
নতুন নির্দেশনার ফলে বিদেশ ভ্রমণের আগে প্রয়োজনীয় নগদ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে যাত্রীদের কিছুটা বেশি সুবিধা হবে। বিশেষ করে যাদের ভ্রমণ ব্যয় মেটাতে হাতে নগদ ডলারের প্রয়োজন হয়, তারা আগের তুলনায় একবারে বেশি ডলার কিনতে পারবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বিদেশগামী বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজন মেটাতেই একবারে ডলার বিক্রির সীমা বাড়ানো হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জারগুলো একজন বিদেশগামী নাগরিককে তার প্রযোজ্য বার্ষিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ কোটার বিপরীতে একবারে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার নোট ও মুদ্রা আকারে বিক্রি করতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বার্ষিক ভ্রমণ কোটায় কতটা বৈদেশিক মুদ্রা অবশিষ্ট আছে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়া হবে। অর্থাৎ কারও ভ্রমণ কোটায় অবশিষ্ট অর্থ ৩ হাজার ডলারের কম হলে তিনি সেই অবশিষ্ট সীমার বেশি কিনতে পারবেন না।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, একজন গ্রাহকের প্রযোজ্য বার্ষিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ কোটার অবশিষ্ট অংশ তার ভ্রমণ কোটার পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট বৈদেশিক মুদ্রার প্রাপ্যতা সাপেক্ষে অন্যান্য অবাধে বিনিময়যোগ্য ও ব্যবহারযোগ্য মুদ্রার নোট ও মুদ্রা আকারেও বিক্রি করা যাবে।
এতে বিদেশ ভ্রমণকারীরা শুধু ডলার নয়, প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রাও সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে সব ক্ষেত্রেই ব্যক্তির প্রযোজ্য বার্ষিক ভ্রমণ কোটার সীমা এবং সংশ্লিষ্ট মুদ্রার প্রাপ্যতা প্রযোজ্য থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্তে মানি চেঞ্জারের মাধ্যমে নগদ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহের ক্ষেত্রে বিদেশগামী নাগরিকদের আগের তুলনায় বেশি নমনীয়তা তৈরি হবে। একবারে ডলার কেনার সীমা ২ হাজার থেকে ৩ হাজার ডলারে বাড়ায় ভ্রমণের আগে নগদ বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহের প্রক্রিয়াও কিছুটা সহজ হবে।






