সাবেক মেয়র আনোয়ারের এপিএস শহীদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৯:০১ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : প্রায় ৩ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়ার পরও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নোটিশ অনুযায়ী সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর সাবেক এপিএস মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী ওরফে শহীদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে দুদক সিলেট সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জুয়েল মজুমদার বাদী হয়ে মামলাটি করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে দৈনিক জালালাবাদকে এই তথ্য তিনি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের মামলা সূত্রে জানা গেছে, শহীদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ মোট ২ কোটি ৮৯ লাখ ১০ হাজার ৭৫১ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারির নির্দেশ দেয় কমিশন।
দুদক জানায়, গত ৫ জানুয়ারি পুলিশ, সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে রাজবাড়ি এলাকার বাসায় প্রকাশ্য স্থানে শহীদ চৌধুরীর ওপর ওই নোটিশ জারি করা হয়। নোটিশ পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিলের কথা থাকলেও তিনি তা করেননি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সময় বাড়ানোর জন্যও কোনো আবেদন করেননি।
দুদক কর্মকর্তারা জানান, কমিশনের নোটিশের পর নির্ধারিত সময়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল না করায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন শহীদ চৌধুরী। এ অভিযোগেই তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
২০২৩ সালের সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর শহীদ চৌধুরীকে তার এপিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী আত্মগোপনে চলে যান। পরে তাকে মেয়র পদ থেকে অপসারণ করা হয়। একই সময় থেকে শহীদ চৌধুরীও আত্মগোপনে রয়েছেন। তিনি বর্তমানে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।






