সিলেটে জালালাবাদ নারী ঐক্যের সীরাত সেমিনার
প্রকাশিত হয়েছে : ১০ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৪:২০ অপরাহ্ন
জালালাবাদ নারী ঐক্য সিলেট আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, রাসূল (সা.) এর মহান আদর্শ ও মানবীয় গুণাবলি অনুসরণের মাধ্যমে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। নারী ও শিশুর অধিকার রক্ষা, অসহায় ও দুর্বল মানুষের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ এবং ইসলামী শিক্ষার প্রসারে মহানবী (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সিলেট নগরীর কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ-কেমুসাসের শহীদ সুলেমান হলে জালালাবাদ নারী ঐক্যের উদ্যোগে ‘সমাজ সংস্কারে রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর ভূমিকা’ শীর্ষক সীরাত সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।
জালালাবাদ নারী ঐক্যের আহ্বায়িকা ড. আমেনা বিনতে রফিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অধ্যাপিকা সামিয়া বেগম চৌধুরী।
ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক উম্মে সুমাইয়া ও শাহজালাল জামেয়া স্কুল এন্ড কলেজ মিরাবাজারের প্রভাষক ফারজানা ইয়াসমিনের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সীরাত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান আলোচক শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিরিক্ত লাইব্রেরিয়ান ড. সোহেলী তামান্না।
তিনি প্রবন্ধে মহানবী (সা.)-এর মানবীয় গুণাবলি, উত্তম চরিত্র, দয়া, ক্ষমাশীলতা, মানবিকতা ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়। সমাজ সংস্কার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁর জীবনাদর্শের গুরুত্বও আলোচনায় উঠে আসে।
সেমিনারে ‘নারী ও শিশু অধিকার রক্ষা ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ইসলাম’ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জুলেখা বেগম। ‘সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইসলামের নির্দেশনা’ বিষয়ে আলোচনা করেন অ্যাডভোকেট আজিদা খাতুন। এছাড়া ‘ইসলামী শিক্ষা বিস্তারে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ভূমিকা’ শীর্ষক বক্তব্য রাখেন সিলেট আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের কো-অর্ডিনেটর মাহফুজা কাওসার রিমি।
সমাপনী বক্তব্যে জালালাবাদ নারী ঐক্যের আহ্বায়িকা ড. আমেনা বিনতে রফিক বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর মানবীয় গুণাবলি ও মহান আদর্শের আলোকে অসহায় ও দুর্বল নারীদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, নারী ও শিশুর সুরক্ষা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং ইসলামী শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে। মহানবী (সা.) -এর আদর্শ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ গঠনের পথনির্দেশনা হিসেবে গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁর শিক্ষা ও আদর্শ ধারণ করে সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও কল্যাণময় সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।





