মৌলভীবাজারে জামায়াতের দায়িত্বশীল বৈঠক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১০:১৫ অপরাহ্ন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার জেলার উদ্যোগে জেলা নির্বাচনী দায়িত্বশীল, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান পুরুষ ও মহিলা এবং পৌরসভা মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে রোববার নির্বাচনী দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহেদ আলীর সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলীর উপস্থাপনায় দায়িত্বশীল বৈঠকে প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট অঞ্চল টিমের সদস্য ও বিভাগীয় নির্বাচনী দায়িত্বশীল হাফেজ আব্দুল হাই হারুন।
বেলা ১০টায় দেওয়ান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে উপজেলা ও পৌরসভার প্রার্থীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আব্দুর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আজিম উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে এমাদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মোহাইমিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাহেলা বেগম, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মুনতাজিম, ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম রেখা, রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু রাইয়ান শাহিন, ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আহমদ মুহিত, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা শেখ আব্দুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান মো. ফখরুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ান শরীফা চৌধুরী, কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মাসুক মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান, কুলাউড়া পৌরসভা মেয়র প্রার্থী মো. জাকির হোসেন, কমলগঞ্জ পৌরসভা মেয়র প্রার্থী সৈয়দ আমিরুল ইসলাম কয়ছর, জেলা শ্রমিক কল্যাণ সভাপতি আলাউদ্দিন শাহ, মৌলভীবাজার পৌর আমির হাফেজ মাওলানা তাজুল ইসলাম ও পৌর সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন চৌধুরী মুর্শেদ, ছাত্রশিবিরের মৌলভীবাজার শহর সভাপতি কাজি দাইয়ান আহমদ ও জেলা সভাপতি ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ।
নির্বাচনী এ দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথি কেন্দ্রের নির্দেশনার আলোকে স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিটি স্তরে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, মেম্বার, মহিলা মেম্বার, পৌরসভার কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর পদে প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি প্রত্যেক প্রার্থীকে দ্রুত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা আমীর ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহেদ আলী বলেন, জুলাই বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশের উন্মুক্ত ময়দানে জনগণ প্রতিটি স্তরে নতুন নেতৃত্বের জন্য অপেক্ষায় আছে। আমরা বারবার জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারলে শেষ পর্যন্ত জনগণ আমাদের নেতৃত্ব গ্রহণ করবে।





