জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. উপসম্পাদকীয়

জাকাত দারিদ্র বিমোচনের হাতিয়ার


প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ মে ২০২১, ১০:১০:৫০ অপরাহ্ন

ড. মোহাম্মদ আবু তাহের

ইসলামের মূল স্তম্ভের মধ্যে একটি হলো জাকাত। এ জাকাত ব্যবস্থার মাধ্যমে ধনীদের সম্পদের উপর দরিদ্রদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হচ্ছে ধনীদের সম্পদে রয়েছে প্রয়োজনশীল প্রার্থী ও বঞ্চিতদের অধিকার (সুরা আযযারিয়াত ১৯)। বাংলাদেশের বিত্তশালী মানুষ যদি সঠিকভাবে হিসাব করে জাকাত আদায় করতেন তাহলে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে স্বাবলম্বী করে তোলা সম্ভব হতো। কিন্তু আমাদের দেশের অনেক ধনী মানুষই জাকাত আদায় করেন না। আবার যারাও করেন তাদের মধ্যে অনেকেই সম্পদের হিসাব না করে রমজান মাস এলে জাকাতের নাম করে কিছু দান করেন। কিন্তু এর দ্বারা ফরজ জাকাত আদায় হবে না, দারিদ্র বিমোচনেও সত্যিকারের সহায়ক হবে না। মহানবী কড়া হুশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন কারো কোনো প্রতিবেশী অভুক্ত থাকলে এবং সে পেট পুড়ে খেতে থাকলে তার সারা জীবনের ভালো কাজ আল্লাহর কাছে গৃহীত হবে না।

ধন-মালের প্রকৃত মালিক আল্লাহ তা’আলা। মানুষ এতে তার প্রতিনিধিত্বের দায়িত্ব পালন করছে মাত্র। তাই প্রকৃত মালিকের হুকুম তামিল করাই প্রতিনিধির দায়িত্ব। সমাজের গরীব, মিসকীন, অসহায়, অনাথ মানুষের প্রতিপালক যেহেতু তিনি তাই এসব মালের প্রতি তাদের হক রয়েছে। কাজেই সর্বপ্রকার ধন-মাল এ হুকুমের অন্তর্ভুক্ত এবং সব ধনী ব্যক্তিই জাকাত দিতে বাধ্য। একে অস্বীকার করা মূলত ইসলামকে অস্বীকার করারই শামিল। তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করার নির্দেশ রয়েছে। তাই আল্লাহর হুকুম পালন করার লক্ষে নামাযের সাথে সাথে আমার সম্পদের জাকাত আমি নিয়মিত আদায় করতে বাধ্য।

রাসুলুল্লাহ(স:) বলেছেন, যেসব লোক জাকাত দিতে অস্বীকার করবে, আল্লাহ তাদেরকে কঠিন ক্ষুধা ও দুর্ভিক্ষের মধ্যে নিমজ্জিত করে দেবেন।
জাকাত না দেওয়ার ভয়াবহ শাস্তির কথা কোরআন ও হাদিসে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, জাকাত আদায় না করে কেউ আল্লাহর রহমত, বরকত ও মাগফিরাত পাওয়ার অধিকারী হতে পারে না।
সূরা তাকাসূরে আল্লাহ বলেন,“ তোমরা একে অপর থেকে বেশি পাওয়ার চিন্তায় ব্যস্ত আছ, এমনকি এ অবস্থায় তোমরা কবরের বাসিন্দা হবে।” তাহলে বুঝা যায়, প্রত্যেক মানুষের সুপ্ত আশা যে, সে সম্পদশালী হোক অথবা কমপক্ষে দুনিয়াতে খেয়ে পরে চলার মতো একটা অবস্থা থাক। এ জন্যই তার এত পরিশ্রম। দুনিয়ার জীবনে কেউ যদি উন্নতির দিকে পা বাড়ায় তাহলে তার মনে আনন্দ জাগে। কাজ-কর্মে আরো প্রেরণা পায়। সমাজে মর্যাদা বাড়ে। দায়-দায়িত্বের ভার বেড়ে যায়। আর্থিক উন্নতির সাথে সামাজিক উন্নতিও তার বৃদ্ধি পায়। এই অবস্থা মানুষের সহজাত কাম্য। পক্ষান্তরে কেউ যদি দিন দিন অবনতির দিকে যায়, আর্থিক অনটনে পড়ে, পারিবারিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে, আয় উপার্জনের পথ সংকীর্ণ হয়ে যায়, তখন তার এ অবস্থা কারো কাম্য নয়। সবাই চায় মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকতে। তাই সম্পদ আহরণের প্রতিযোগিতায় কেউ টিকে, কেউ টিকে না। এ সম্পদের মালিক স্বয়ং আল্লাহ্ তা’আলা। যাকে ইচ্ছা তাকে দেন বেশুমার। এখানেই তার পরীক্ষা। আপনি যতটুকু সম্পদ পেয়েছেন বা যার মালিক বলে দাবি করেন তার কতটুকু হক আদায় করতে পেরেছেন তা ভেবে দেখা দরকার।

জাকাত ইসলামী অর্থনীতির অন্যতম উপাদান। পবিত্র কোরআনের ৩০টি আয়াতে জাকাত প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তন্মধ্যে ২৮টি আয়াতে নামাজের সঙ্গে সঙ্গে এবং দুটি আয়াতে আলাদাভাবে। জাকাত শব্দটির অর্থ পবিত্রকরণ, পরিশুদ্ধকরণ, ক্রমবৃদ্ধি ইত্যাদি। ইসলামী পরিভাষায় ধনীদের ধনমালে আল্লাহর নির্ধারিত অবশ্য দেয় অংশকে জাকাত বলে। জাকাত একদিকে জাকাতদাতার ধনসম্পদ পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করে। অন্যদিকে, দরিদ্রদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। জাকাত ফরজ হওয়ার পরও যদি কেউ তা প্রদান না করে তার ব্যাপারে কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে। কোরআন মজিদে ইরশাদ হয়েছে যারা সোনা বা রূপা পুঞ্জীভূত করে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না তাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তির সংবাদ দিন। যেদিন জাহান্নামের আগুনে তা উত্তপ্ত করা হবে এবং তা দিয়ে তাদের কপালের পার্শ্বদেশ এবং পিঠে দাগ দেয়া হবে সেদিন বলা হবে এটাই তা যা তোমরা নিজেদের জন্য পুঞ্জীভূত করতে। সুতরাং তোমরা যা পুঞ্জীভূত করেছিলে তা আস্বাদন কর। (সুরা তওবা ৩৪-৩৫)।

আবু হুরায়রা (রা:) বর্ণিত রসুল(সা:) বলেন, আল্লাহ যাকে ধনসম্পদ দান করেছেন সে যদি তার জাকাত আদায় না করে তাহলে কিয়ামতের দিন তা একটি বিষধর অজগরের রূপ ধারণ করবে যার দু’চোখের উপরে দুটি কালো চিহ্ন থাকবে। কিয়ামতের দিন তা তার গলায় জড়িয়ে দেয়া হবে। সাপটি তার মুখের দু’পাশে কামড়াতে থাকবে এবং বলবে আমিই তোমার সম্পদ, আমিই পুঞ্জীভূত ধন(বুখারি শরীফ)।

কী পরিমান সম্পদ থাকলে জাকাত দিতে হবেঃ যে পরিমাণ সম্পদ থাকলে জাকাত দিতে হবে, বা জাকাত ফরজ হয় শরীয়াতের ভাষায় তাকে ‘নিসাব’ বলা হয়। যাদের সারা বছরের খরচাদি বাদে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা (প্রায় ৬১৩ গ্রাম) বা সাড়ে সাত তোলা সোনার (প্রায় ৮৬ গ্রাম) মূল্যে সমপরিমাণ সম্পদ থাকে তাকে শতকরা আড়াই টাকা হিসেবে হিসাব করে যত টাকা হয় তা জাকাত দিতে হবে। এটা তার উপর ফরজ।
সম্পদের হিসাব করার সময় অত্যাবশ্যকীয় ও প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বাদে হিসাব করতে হবে। যেমন-
বসত বাড়ি।
পরিধেয় বস্ত্র।
বাড়ির আসবাবপত্র।
যাতায়াতের যানবাহন(সাইকেল, মটর সাইকেল, কার ও মাইক্রো যা ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার্য)।
ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি(বন্দুক, রাইফেল, পিস্তল ইত্যাদি যা শত্রুর মোকাবেলায় বা আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজন)।
খাদ্যদ্রব্য।
সোনা, রূপার গহনা ছাড়া অন্যান্য সাজসজ্জা।
ব্যক্তিগত খরচের জন্য রাখা অর্থ।
বই পত্র।
উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত মেশিন ও যন্ত্রপাতি।
কৃষি কাজের জন্য ব্যবহৃত পশু।
এগুলো ছাড়া যদি হিসাবমূল্যে আপনার সম্পদ সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপার বা সাড়ে সাত তোলা সোনার মূল্য পরিমাণ হয় তাহলে জাকাত দিতে হবে।
জাকাতের জন্য মৌলিক প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদের কথা বলা হয়েছে। মানুষের প্রয়োজন সীমাহীন, অশেষ। তাই তার মন যা চায় তাকেই মৌলিক প্রয়োজন মনে করা যায় না। মানুষের চাহিদার শেষ নেই।
তাই মৌলিক প্রয়োজন বলতে যা না হলে মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব নয়, তাই বুঝায়। যেমন-খাদ্য, পোশাক, পানীয়, বাসস্থান, প্রয়োজনীয় জ্ঞানার্জনের জন্য বইপত্র, পেশার উপযোগী যন্ত্রপাতি। জাকাত দেওয়ার নির্দিষ্ট কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা না থাকলেও জাকাত আদায়ের সর্বোত্তম সময় হলো পবিত্র রমজান মাস। রমজান মাসে দান সদকা করলে অন্য সময়ের চেয়ে ৭০ গুণ বেশী নেকী পাওয়া যায়। তাই রমজান মাসে অধিক সওয়াবের আশা নিয়ে সম্পদের হিসাব করে জাকাত দেওয়া প্রয়োজন। রোজাদার ধনী মানুষেরা অসহায় মানুষদের জাকাত প্রদান করলে সমাজের সহায় সম্বলহীন মানুষরা দারিদ্র্যের কষাঘাত থেকে মুক্তি পাবে। তাছাড়া সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থারও উন্নতি হবে। জাকাত প্রদানের ফলে ধনী-গরীবের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠে। নবী করিম (সঃ) জাকাতকে ইসলামের সেতু হিসেবে অভিহিত করেছেন। রসুল(সঃ) বলেছেন প্রতিটি বস্তুরই জাকাত রয়েছে আর মানুষের দেহের জাকাত হলো রোজা(ইবনে মাজা)। জাকাত আদায় করলে যেমন মানুষের উপার্জিত ধন সম্পদ পবিত্র হয়, ঠিক তেমনি রমজান মাসে সিয়াম সাধনার ফলে সারা শরীর ও মন পবিত্র হয়ে যায়।

জাকাত সংক্রান্ত কয়েকটি মাসআলাঃ প্রশ্ন-১ঃ অলংকারের জাকাত কে দেবে স্বামী না স্ত্রী, অনাদায়ে কে গুনাহগার হবে?
উত্তরঃ অলংকারের মালিক যদি স্ত্রী হন তাহলে জাকাত দেওয়ার দায়িত্বও তার। অনাদায়ে তিনিই গুনাহগার হবেন। স্ত্রীর অলংকারে জাকাত প্রদান করতে স্বামী বাধ্য নয়। স্ত্রী তার হাত খরচের টাকা থেকে বাঁচিয়ে জাকাত দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। না হয় কিছু অলংকার বিক্রি করে জাকাত পরিশোধ করবেন। হ্যাঁ, তার স্বামী তার পক্ষ থেকে জাকাত দিলে আদায় হয়ে যাবে।

প্রশ্ন-২ঃ মৃত স্বামীর অনাদায়ী জাকাত বিধবা স্ত্রীর উপর বাধ্যতামূলক কি না?
উত্তরঃ মৃত স্বামীর জাকাত বিধবা স্ত্রীর উপর ফরজ নয়। জাকাতের দায়িত্ব তার স্বামীরই থেকে যাবে এবং সে জন্য তিনিই গুনাহগার হবেন। হ্যাঁ, যদি তার পক্ষ থেকে ওয়ারিশগণ জাকাত দিয়ে দেন, তাহলে তো ভালো কথা।
প্রশ্ন-৩ঃ আনুমানিক হিসাবে জাকাত দিলে তা আদায় হবে কি না?
উত্তরঃ পুরোপুরি হিসাব করে জাকাত দেওয়া উচিত। আনুমানিক হিসাব করে জাকাত দিলে তা যদি প্রকৃত হিসাবের চেয়ে কম হয়, তাহলে জাকাতের দায় তার উপর থেকেই যাবে। হ্যাঁ, যদি পুরোপুরি হিসাব করা কোনোক্রমেই সম্ভব না হয় তাহলে এমনভাবে হিসাব করে জাকাত দিতে হবে যেন কম না হয়ে বরং কিছু বেশি হয়।

প্রশ্ন-৪ঃ না বলে জাকাত দিলে জায়েজ হবে কি না?
উত্তরঃ জাকাত দেওয়ার সময় একথা বলার প্রয়োজন নেই যে, এগুলো জাকাত। উপহার-উপঢৌকন হিসেবেও তা দেওয়া যায়। দেওয়ার সময় শুধু মনে মনে নিয়ত করলেই জাকাত আদায় হয়ে যাবে।
প্রশ্ন-৫ঃ সারা বছর অল্প অল্প করে জাকাত দিলে আদায় হবে কি?
উত্তরঃ কেউ যদি বছর শেষে জাকাত না দিযে সারা বছর কিছু কিছু করে জাকাত দেয় তাহলে তা জাকাতের নিয়তে দিতে হবে এটা জায়েজ আছে।
প্রশ্ন-৬ঃ পিতামাতা ও সন্তানকে জাকাত দেওয়া যাবে কি না?
উত্তরঃ পিতামাতা ও সন্তানকে জাকাত দেওয়া জায়েজ নেই। স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে জাকাত দিতে পারবে না। তবে ভাই, বোন, চাচা, ভাতিজা, মামা, ভাগ্নেকে জাকাত দেওয়া জায়েজ।
প্রশ্ন-৭ঃ জাকাতের টাকা মসজিদে ব্যয় করা যাবে কি না?
উত্তরঃ জাকাতের টাকা মসজিদের কোনো কাজে ব্যয় জায়েজ নেই, করলে জাকাত আদায় হবে না।
কোরআনের আলোকে জাকাতের ব্যয়ক্ষেত্র নিম্নরূপঃ
দরিদ্র বা ফকির ২. মিসকীন ৩. জাকাত বিভাগের কর্মচারী ৪. মনজয় করার প্রয়োজনে ৫. ক্রীতদাসের মুক্তিপণ ৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি এবং ৭. মুসাফির। জাকাত সুপরিকল্পিতভাবে ব্যয়ের মাধ্যমে বঞ্চিত ও দু:স্থ মানুষের দারিদ্র বিমোচন করতে হবে।

লেখক: ব্যাংকার ও কলামিষ্ট

উপসম্পাদকীয় এর আরও খবর
জালালাবাদ কালজয়ী হোক

জালালাবাদ কালজয়ী হোক

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে চাই প্রশিক্ষণ

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে চাই প্রশিক্ষণ

শহীদ তুরাব : কথা ফুরানো আগে যার দম ফুরিয়ে গেল

শহীদ তুরাব : কথা ফুরানো আগে যার দম ফুরিয়ে গেল

সাংবাদিক তোরাব : একটি রক্তাক্ত স্মৃতি

সাংবাদিক তোরাব : একটি রক্তাক্ত স্মৃতি

সর্বশেষ সংবাদ
পাসের হার বৃদ্ধি নয়, মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য : এমপি এমরান
পাসের হার বৃদ্ধি নয়, মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য : এমপি এমরান
মহানগর বিএনপির সাথে মতবিনিময়ে রিজভী: সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে
মহানগর বিএনপির সাথে মতবিনিময়ে রিজভী: সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা চলছে
সিকৃবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রিজভী: সমন্বিত কৃষিনীতি থাকলে দেশের সমৃদ্ধি আরও দ্রুত হবে
সিকৃবির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রিজভী: সমন্বিত কৃষিনীতি থাকলে দেশের সমৃদ্ধি আরও দ্রুত হবে
সিলেটে মতবিনিময় সভায় রুহুল কবির রিজভী:  পরিকল্পিতভাবে দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে উসকানি ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে
সিলেটে মতবিনিময় সভায় রুহুল কবির রিজভী:  পরিকল্পিতভাবে দেশের ভেতরে ও বাইরে থেকে উসকানি ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে
৩ হাজার ৭২৩ কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকাদান
৩ হাজার ৭২৩ কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকাদান
ঝিমাই চা বাগানে এমপি শকুকে সংবর্ধনা
ঝিমাই চা বাগানে এমপি শকুকে সংবর্ধনা
কানাইঘাটে পিকআপ চাপায় কিশোরের মৃত্যু
কানাইঘাটে পিকআপ চাপায় কিশোরের মৃত্যু
মক্তব শিক্ষা পুনরুজ্জীবন ও ইমামদের সম্মানজনক বেতন নিশ্চিত করতে হবে: এমপি আবুল হাসান
মক্তব শিক্ষা পুনরুজ্জীবন ও ইমামদের সম্মানজনক বেতন নিশ্চিত করতে হবে: এমপি আবুল হাসান
আম্বরখানার যানজট নিরসনে মেগা প্রকল্পের উদ্যোগ সিউকের
আম্বরখানার যানজট নিরসনে মেগা প্রকল্পের উদ্যোগ সিউকের
সিলেটে আইন কমিশনের সেমিনার
সিলেটে আইন কমিশনের সেমিনার
সিলেটে হামে ১ শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হামে ১ শিশুর মৃত্যু
গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা খুবই উদ্বেগজনক: জামায়াত আমীর
গার্মেন্টস শিল্পে অস্থিরতা খুবই উদ্বেগজনক: জামায়াত আমীর
সিলেটে আরও ১৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সিলেটে আরও ১৯ ডেঙ্গুরোগী শনাক্ত
সীমান্তে ১৯ বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ
সীমান্তে ১৯ বিজিবির বিপুল চোরাইপণ্য জব্দ
সীমান্তে ৪৮ বিজিবির ২২ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
সীমান্তে ৪৮ বিজিবির ২২ লাখ টাকার চোরাইপণ্য জব্দ
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top