আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ নিয়ে ˆবঠক করবে সরকার
প্রকাশিত হয়েছে : ১১ জুলাই ২০২৬, ৮:৪৭:৫২ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ১২ সদস্যের মিশন নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করতে ঢাকায় এসেছে| সপ্তাহজুড়ে তারা সরকারের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, সংস্কারের অগ্রগতি ও সম্ভাব্য নতুন ঋণ কর্মসূচির কাঠামো নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিক ˆবঠক করবেন| সরকারি কর্মকর্তাুকর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে আলোচনা করবে আইএমএফ, এমন তথ্যও জানা গেছে|
আজ রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ বিভাগসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ˆবঠক শুরু করবে আইএমএফের প্রতিনিধিদল| আলোচনার অংশ হিসেবে সচিবালয়ে আজ অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গেও ˆবঠক রয়েছে তাদের| এবারের মিশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আইএমএফের মুদ্রা ও পুঁজিবাজার বিভাগের ডেপুটি ডিভিশনের প্রধান ইভো ক্রজনার|
সরকার নতুন কর্মসূচির আওতায় তিন বছরের জন্য ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পাওয়ার আশা করছে| এই অর্থ সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, ˆবদেশিক অর্থায়নের চাপ সামাল দেওয়া ও অর্থনৈতিক সংস্কার এগিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের| এ লক্ষ্যে গত ৯ জুন আইএমএফকে আনুষ্ঠানিক চিঠি দেন অর্থমন্ত্রী|
চিঠিতে আইএমএফকে জানানো হয়, আগের ঋণ কর্মসূচি নেওয়ার সময়ের অর্থনৈতিক ও নীতিগত বাস্তবতা এখন বদলে গেছে| রাজনৈতিক অর্থনীতির পরিবর্তন, ˆবশ্বিক অনিশ্চয়তা ও নতুন অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে কিছু সংস্কার নির্ধারিত সময়ে বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি| তবে সরকার সংস্কার কর্মসূচি থেকে সরে আসছে না; বরং দেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করতে চায়|
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবারের আলোচনায় প্রায় পুরো অর্থনীতি সূচকগুলো নিয়ে আলোচনা হবে| সদ্য ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিভিন্ন করছাড়ের যৌক্তিকতা, রাজ¯^ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থতা, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সংস্কারের অগ্রগতি, করুব্যয়ের সংস্কার ও আর্থিক খাত সংস্কারের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে|
ব্যাংক খাতও থাকবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে| ব্যাংক খাতে সুশাসন জোরদার, খেলাপি ঋণ কমানোর কৌশল, ব্যাংক পুনর্গঠন ও অবসায়ন কার্যক্রমে অর্থায়নের ব্যবস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ¯^ায়ত্তশাসন ও ঝুঁকিভিত্তিক তদারকির অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে আইএমএফ| এ ছাড়া রাজ¯^ আদায় কম হওয়া ও সরকারি ঋণ বেড়ে যাওয়ার কারণ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ভর্তুকি বৃদ্ধি, বিদ্যুতের দাম সমš^য়, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা, ফ্যামিলি কার্ডসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে সরকারি ব্যয় নিয়েও আলোচনা হবে|






