‘হাওরখাল’ বিলে সিন্ডিকেট ভাঙায় পুনঃনিলামে রাজস্ব বাড়ল ৩৮ লাখ টাকা
প্রকাশিত হয়েছে : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৩৯:২৮ অপরাহ্ন
বড়লেখা প্রতিনিধি: হাকালুকি হাওরের প্রায় দেড় হাজার একর আয়তনের সর্ববৃহৎ সরকারি জলমহাল ‘গোটাউরা হাওরখাল বদ্ধ’ বিলের ইজারা নিয়ে গোপন সমঝোতার অভিযোগ ওঠায় প্রথম দফার নিলাম স্থগিত করা হয়েছে। পরে পুনঃনিলামে সরকারের রাজস্ব আয় বেড়েছে প্রায় ৩৮ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বড়লেখার হাকালুকি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে জলমহালটির এক বছরের জন্য উন্মুক্ত নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২২টি নিবন্ধিত মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি অংশ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে গোপন সমঝোতার কারণে কাক্সিক্ষত দর ওঠেনি। নিলামে সর্বোচ্চ দর ওঠে ৫০ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
গত বছর জলমহালটি প্রায় দুই কোটি টাকায় ইজারা দেওয়া হয়েছিল। ফলে এবারের নিলামে মাত্র ৫০ লাখ ৫০ হাজার টাকা দর ওঠায় সরকারি রাজস্ব ফাঁকির আশঙ্কা দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রতিবাদ হলে উপজেলা ও জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি নিলাম কার্যক্রম স্থগিত করে পুনঃনিলামের সিদ্ধান্ত নেয়।
বৃহস্পতিবার একই স্থানে দ্বিতীয় দফায় উন্মুক্ত পুনঃনিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সিন্ডিকেট ভেঙে যাওয়ায় ৬৬টি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি অংশ নেয়। নিলামে সর্বোচ্চ ৮০ লাখ টাকা দর দেন ভোলাকান্দি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির প্রতিনিধি ছায়াদ আহমদ। ভ্যাট ও আয়করসহ এ অর্থের পরিমাণ এক কোটি টাকারও বেশি। তাকে প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত দরদাতা ঘোষণা করা হয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈমা নাদিয়া জানান, প্রথম দিনের নিলামে ৫০ লাখ ৫০ হাজার টাকা দর ওঠে। তা কাক্সিক্ষত না হওয়ায় সরকারি স্বার্থ বিবেচনায় নিলাম স্থগিত করা হয়। পরে উপজেলা ও জেলা জলমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্দেশনায় পুনঃনিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৬৬টি মৎস্যজীবী সমিতি অংশ নেয় এবং ভোলারকান্দি মৎস্যজীবী সমবায় সমিতিকে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।





