এমসি ছাত্রবাসে ধর্ষণ মামলার রায় মঙ্গলবার
প্রকাশিত হয়েছে : ১২ জুলাই ২০২৬, ৮:১৯:২৭ অপরাহ্ন

স্টাফ রিপোর্টার : সিলেটের বহুল আলোচিত এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধুকে দলবদ্ধ ধর্ষণের সেই মামলার রায় ঘোষণা হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)। সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এই রায় ঘোষণা করবেন। প্রায় ৬ বছরের দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে এই আলোচিত মামলার রায় হতে যাচ্ছে।
গত ৮ জুলাই আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ১৪ জুলাই মামলার রায়ের দিন ধার্য্য করেন বিচারক স্বপন কুমার সরকার। আলোচিত এই ধর্ষণ মামলার আসামিরা হলেন, এমসি কলেজ ছাত্রলীগের তৎকালীন ক্যাডার সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন, মিসবাউল ইসলাম রাজন, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। তাঁরা সবাই আওয়ামীলীগের গডফাদার রনজিত সরকারের অনুসারি ছিলেন।
মামলার এজহার অনুযায়ী, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক নববধুকে (২০) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও ৩ দিনের মধ্যে পুলিশ ও র্যাবের যৌথ অভিযানে আসামীদের গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।বর্তমানে তারা সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ বন্দি রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় মোট ২৪ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষীদের মধ্যে রয়েছেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ, তাঁর স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের একজন অধ্যাপক এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক। সাক্ষ্য গ্রহণকালে বাদীর সাক্ষ্য নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। ডিএনএ পরীক্ষায় ৮ আসামির মধ্যে ৬ জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়। ২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।






