রপ্তানি আয় কমার মধ্যেই ১৫% প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য
প্রকাশিত হয়েছে : ২৬ জুলাই ২০২৬, ৮:০১:১৪ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের একের পর শুল্ক আরোপে যখন বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ধারায় চলছে, তখন চলতি অর্থবছরের জন্য রপ্তানি আয়ে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরেছে সরকার| বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার রপ্তানি আয়ের চেয়ে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার ৭০০ কোটি বা ৭ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয় বাড়াতে চায়|
এই অর্থবছরে ৫ হাজার ৫০০ কোটি বা ৫৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা ধরেছে বিএনপি সরকার, যা শতাংশের হিসেবে বিদায়ী অর্থবছরের আয়ের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি|
তথ্য বলছে, বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে বিদায়ী অর্থবছরে রপ্তানি আয় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও কমে যায় প্রায় ১৩ শতাংশ| গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি থেকে আয় এসেছিল ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ৩৯ লাখ ডলার| আর সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৫ হাজার ৫০০ কোটি ডলার|
এক অর্থবছর পরই রপ্তানি আরও কমে যেত পারত যদি অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি না হতো| এ মাসে ৪২০ কোটি ২৭ লাখ ডলার আয় করেছেন রপ্তানিকারকরা| আগের অর্থবছরে একই মাসে তারা আয় করেছিলেন ৩৩৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলার| এর আগে টানা আট মাস কমার পর গত এপ্রিলে বেড়েছিল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচক| তবে মে মাসে এসে ফের হোঁচট খায় রপ্তানি আয়|
চলতি অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এই অর্থবছরে যেটা আমাদের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা, সেটি হচ্ছে পণ্যের ক্ষেত্রেও ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবং সেবার ক্ষেত্রেও ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি| যদি আমরা সেটা অর্জন করতে পারি, তাহলে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৬৩ দশমিক ৪০ বিলিয়ন| তাতে পণ্য হবে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন এবং সেবা হবে ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন| পণ্য এবং সেবা মিলিয়ে ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন হচ্ছে আমাদের এই অর্থবছরের রপ্তানির ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা|






