মিশিগানে গ্রেটার জৈন্তিয়া এসোসিয়েশনের রজতজয়ন্তী
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:৩৪:১৪ অপরাহ্ন

মিশিগান প্রতিনিধি : যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রেটার জৈন্তিয়া এসোসিয়েশনের ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রজতজয়ন্তী ও বর্ণাঢ্য বনভোজন। প্রবাসে জৈন্তিয়াবাসীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আয়োজিত এ মিলনমেলায় মিশিগানে বসবাসরত গ্রেটার জৈন্তিয়ার বিপুলসংখ্যক প্রবাসীসহ বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
সোমবার স্থানীয় সময় দুপুরে স্টার্লিং হাইটসের জেমস সি. নেলসন পার্কে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পার্ক। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে স্বজন ও স্বদেশের মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির সুযোগ পেয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পরে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে বনভোজনের উদ্বোধন করেন গ্রেটার জৈন্তিয়া এসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ।
রজতজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ছিল নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও প্রীতিভোজ। শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি নারী ও পুরুষদের জন্যও বিভিন্ন খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ঘিরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা গ্রেটার জৈন্তিয়া এসোসিয়েশনের দীর্ঘ ২৮ বছরের পথচলার প্রশংসা করেন। তারা বলেন, প্রবাসের মাটিতে নিজেদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক বন্ধন ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে জৈন্তিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও শিকড়ের পরিচয় তুলে ধরতেও এসব আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখে।
আয়োজকরা জানান, গ্রেটার জৈন্তিয়া এসোসিয়েশন দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসী জৈন্তিয়াবাসীর মধ্যে ঐক্য ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে আসছে। সংগঠনের ২৮ বছরের পথচলাকে স্মরণীয় করে রাখতে এবারের আয়োজন বিশেষভাবে সাজানো হয়।
গ্রেটার জৈন্তিয়া এসোসিয়েশনের সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খাজা আফজাল হোসেন ও অ্যাডভোকেট দীপক চৌধুরী। দিনব্যাপী এ আয়োজনে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে শেষ হয় বর্ণাঢ্য বনভোজন।






