বাড়ছে ডলারের দাম
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৭:২১ অপরাহ্ন

জালালাবাদ ডেস্ক : জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির ঋণপত্র (এলসি) নিষ্পত্তি করতে গিয়ে ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ বাড়ায় টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলারের দাম বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আন্তঃব্যাংক লেনদেনে মঙ্গলবার প্রতি ডলারের বিনিময় হার বেড়ে দাঁড়ায় ১২৩ টাকা ৮৭ পয়সায়, যা সোমবার বেড়ে হয়েছিল ১২৩ টাকা ৭৫ পয়সা। গত রোববার এই দর ছিল ১২৩ টাকা ৭৩ পয়সা। আর এক সপ্তাহ আগে ছিল ১২৩ টাকা ৪৫ পয়সা। ইস্টার্ন ব্যাংক গতকাল প্রতি ডলারের বিক্রয়মূল্য ১২৩ টাকা ৯৮ পয়সা এবং ক্রয়মূল্য ১২২ টাকা ৯৮ পয়সা নির্ধারণ করে। এর আগের দিন বিক্রয়মূল্য ছিল ১২৩ টাকা ৯৫ পয়সা ও ক্রয়মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৯৫ পয়সা। এক সপ্তাহ আগে বিনিময় হার ছিল আরও কম।
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক নগদ লেনদেনে ডলারের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে ১২৩ টাকা ৯০ পয়সা এবং ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে ১২২ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে ৯০ পয়সার মধ্যে। ডলারের বিনিময় মূল্য বৃদ্ধির পেছনের কারণ হিসেবে জ্বালানি তেল ও গ্যাস আমদানির মূল্য পরিশোধের অতিরিক্ত চাপের কথা জানিয়েছে ব্যাংকগুলো।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই ও আগস্টে আমদানি ব্যয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ বেড়ে ১২ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এর মধ্যে শুধু জ্বালানি পণ্য আমদানি ব্যয় দ্বিগুণ হয়ে ২ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা চলায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বেড়েছে। গত ১-২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ২ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২ বিলিয়ন।
তবে, বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে কিছুটা অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে অস্বস্তি নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতি অনুসারে গত ১৯ অক্টোবর দেশের রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২৬ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন।






