বারহাল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীরা তৎপর
প্রকাশিত হয়েছে : ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০২:১২ অপরাহ্ন
এখলাছুর রহমান, জকিগঞ্জ : জকিগঞ্জ উপজেলার বারহাল ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। ইতোমধ্যে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় হয়েছেন। সামাজিক কর্মকাণ্ড, ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়নজুড়ে চলছে নানা আলোচনা। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছেন তাজ উদ্দিন।
সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা, দানশীলতা, শিক্ষানুরাগ ও তারুণ্যদীপ্ত নেতৃত্বের কারণে নির্বাচনী আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছেন তাজ উদ্দিন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ তাঁকে এলাকায় আলাদা পরিচিতি দিয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষা ও সমাজকল্যাণমূলক কাজে তাঁর আগ্রহ স্থানীয়ভাবে আলোচিত হচ্ছে। তাঁর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক তৎপরতা নির্বাচনী মাঠে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে আলোচনা।
অন্যদিকে, একাধিকবার নির্বাচনে অংশ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অবস্থান তৈরি করা বুরহান উদ্দিন রনিও রয়েছেন আলোচনায়। অতীতের নির্বাচনে তিনি উল্লেখযোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলেছিলেন। এবারও তাঁর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা, নির্বাচনী তৎপরতা ও সমর্থকদের অবস্থান ভোটের মাঠে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে, বারহাল ইউনিয়নের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরীও সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় রয়েছেন। দীর্ঘদিনের জনপ্রতিনিধিত্বের অভিজ্ঞতা, ইউনিয়নজুড়ে পরিচিতি ও অতীতের নির্বাচনী সাফল্য তাঁর অন্যতম শক্তি। তিনি আবারও নির্বাচনে অংশ নিলে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।
এছাড়া তরুণ সমাজসেবী ও বিভিন্ন সংগঠনের সংগঠক সায়েফ আহমেদ (এস রহমান সায়েফ) নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ে তাঁর প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক তৎপরতা চলছে বলে জানা গেছে।
আব্দুল আহাদ কয়েলকেও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যক্তিগত কারণে এলাকায় তাঁর একটি গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে স্বপন আহমদ ও আব্দুল ওয়াদুদও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।
নতুন প্রার্থী হিসেবে অলি চৌধুরী নবীন প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচনী মাঠে নিজের অবস্থান তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। পাশাপাশি শাহবাগের সুমন চৌধুরীও ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সব মিলিয়ে বারহাল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ তৈরি হয়েছে। একদিকে অভিজ্ঞ নেতৃত্ব, অন্যদিকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ও তরুণ নেতৃত্বের প্রত্যাশাÑসব মিলিয়ে নির্বাচনী সমীকরণ হয়ে উঠছে বেশ আগ্রহোদ্দীপক।
তবে শেষ পর্যন্ত কারা নির্বাচনে অংশ নেবেন, ভোটারদের কাছে কার গ্রহণযোগ্যতা কতটা তৈরি হবে এবং কে কতটা সাংগঠনিক শক্তি দেখাতে পারবেন, তার ওপরই নির্ভর করবে নির্বাচনী মাঠের চূড়ান্ত চিত্র। কে হাসবেন শেষ হাসি, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ভোটের দিন পর্যন্ত।






