কুলাউড়ায় আদর্শ পাঠাগারের বই বিতরণ
প্রকাশিত হয়েছে : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৯:০৬:৫০ অপরাহ্ন
কুলাউড়া প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় আদর্শ পাঠাগারের আয়োজনে ‘আদর্শ পাঠাগার বইপড়া উৎসব-২০২৬’ এর প্রতিযোগিতামূলক পাঠের জন্য দুই শতাধিক পাঠকের মধ্যে বই বিতরণ করা হয়। শনিবার জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এ বই বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বইপড়া উৎসবের সঞ্চালক ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক মোঃ খালিক উদ্দিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জ্ঞান, মূল্যবোধ ও বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক।
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, কুলাউড়া মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি মোঃ খুরশীদ উল্লাহর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন কুলাউড়া সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য, ইয়াকুব-তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ এমদাদুল ইসলাম ভুট্টো, বরমচাল উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ফজলুল হক।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন শিক্ষক ও লেখক এম.এস.আলী, তানভীর মাহতাব ফাহিম, রূপালি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন, তামান্না আক্তার তান্নি। অতিথিবৃন্দ আদর্শ পাঠাগারের বইপড়ানোর এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এ উদ্যোগটির ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার আহবান জানান।
আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক প্রভাষক মোঃ খালিক উদ্দিন জানান, বই পড়ার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে ২০১৯ সালে তিনি কুলাউড়া শহরে আদর্শ পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে এখন পর্যন্ত ১০ টি বইপড়া উৎসবের আয়োজন করেন, যেখানে আড়াই হাজার শিক্ষার্থী ও অন্যান্য পাঠক আনুষ্ঠানিকভাবে বই পড়ায় অংশ নিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, পাঠাগারের কোনো নিজস্ব তহবিল নেই। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও বিভিন্ন শিক্ষাণুরাগী প্রবাসী শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা নিয়ে দীর্ঘ সাত বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে বই পড়ানোর উদ্যোগটি তিনি অব্যাহত রাখার অপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি জানান, আর্থিক সীমাবদ্ধতার দরুন এবারের আয়োজনে আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও অনেক শিক্ষার্থী ও অশিক্ষার্থী পাঠককে এবারের বইপড়া উৎসবে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া সম্ভব হয়নি। সরকারি-বেসরকারি কোনো সংস্থা থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো সহায়তা পাননি। যে কোনো ব্যক্তি কিংবা সংস্থার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা ও বই পেলে এ আয়োজনটিকে আরও বেশি শিক্ষার্থীদের নাগালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।




