জালালাবাদ ই-পেপার
সিলেট, | | |
logo
  • আজকের পত্রিকা
    • প্রথম পাতা
    • শেষ পাতা
    • সম্পাদকীয়
    • উপসম্পাদকীয়
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • সিলেট
    • সুনামগঞ্জ
    • মৌলভীবাজার
    • হবিগঞ্জ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সংগঠন সংবাদ
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সাহিত্য
  • অন্যান্য
    • এক্সক্লুসিভ
    • সপ্তডিঙা
    • নারী সমাজ
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • স্বাস্থ্য
    • আলোকিত জীবন
    • ফিচার
    • স্মরণ
  • প্রথম পাতা
  • শেষ পাতা
  • সিলেট
  • সুনামগঞ্জ
  • মৌলভীবাজার
  • হবিগঞ্জ
  • সম্পাদকীয়
  • উপসম্পাদকীয়
  • এক্সক্লুসিভ
  • জাতীয়
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • সংগঠন সংবাদ
  • প্রবাস
  • মুক্তমত
  • সাহিত্য
  • খেলাধুলা
  • পর্যটন
  • সপ্তডিঙা
  • নারী সমাজ
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • স্বাস্থ্য
  • স্মরণ
  1. প্রচ্ছদ
  2. এক্সক্লুসিভ

লোডশেডিংয়ের প্রভাব সিলেটের অর্থনীতিতে


প্রকাশিত হয়েছে : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৩:০৭:১৪ অপরাহ্ন


আহবাব মোস্তফা খান :

শহর থেকে গ্রাম-সবখানেই একই তালে চলছে লোডশেডিং। এতে সিলেটের ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরাজ করছে নজিরবিহীন স্থবিরতা, অন্যদিকে বোরো ধান কাটার মৌসুমে কৃষক ও মেশিনমালিকরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রভাব পড়েছে সিলেটর পর্যটন শিল্পেও। সার্বিকভাবে প্রভাব পড়েছে সিলেটের অর্থনীতিতে।

বিদ্যুতের অভাবে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধ করতে গিয়ে ব্যবসা বাণিজ্যে নামছে ধস। ভয়াবহ লোকসানের মুখে পড়ছেন সিলেটের ব্যবসায়ীরা। জ্বালানি সংকটের কারণে মিলছেনা ডিজেল-পেট্রোল। ফলে বন্ধ করতে হচ্ছে জেনারেটর।

ছোটো প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি উৎপাদনমুখী মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও লোডশেডিংয়ের ফলে বিরাট অঙ্কের অর্থনৈতিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

এ ব্যাপারে ‘বিসিক শিল্প মালিক সমিতি গোটাটিকর-এর এক কর্মকর্তা বলেন, গোটাটিকর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় কোল্ড স্টোরেজ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প, কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক শিল্পসহ বিভিন্ন ধরণের প্রায় ৪৫টি শিল্প কারখানা তাদের উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এসব কারখানায় প্রায় ২৫০০ জন শ্রমিক কর্মরত আছেন। বিগত ১ সপ্তাহ থেকে উক্ত শিল্পনগরী এলাকা ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে কবলে পড়েছে। আগে যেখানে সারা মাসে ১৫-২০ ঘন্টা লোডশেডিং হত, সেখানে এখন দৈনিক ১০-১২ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এভাবে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে কারখানাগুলোর উৎপাদন ব্যবস্থা মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। একই সাথে প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সিলেটে গড়ে ৪০ শতাংশ লোডশেডিং হচ্ছে। মোট চাহিদা প্রায় ৪৭৭ মেগাওয়াট (বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বা পিডিবির অধীনে ১৭০ মেগাওয়াট ও পল্লী বিদ্যুতের অধীনে ৩০৭ মেগাওয়াট)। এর বিপরীতে সিলেটে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে যথাক্রমে ১৩০ ও ১৬৭ মেগাওয়াট; ফলে বড় ধরনের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

এমন পরিস্থিতি থেকে সহসা মুক্তির সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টরা| তারা বলছেন, তীব্র জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ উৎপাদন ঘাটতির কারণে শুধু সিলেট নয়, দেশব্যাপী লোডশেডিং চলছে| বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি না হলে লোডশেডিং থেকে মুক্তির সম্ভাবনা ক্ষীণ| জাতীয় গ্রিড থেকে নিয়ন্ত্রণ হয় সিলেটের লোডশেডিং| ফলে কোথায় কখন কয়ঘন্টা লোডশেডিং হয় সেটা সিলেট থেকেও জানা যায়না|

এদিকে ঘনঘন লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ব্যবসায়ীরা| তাদের অভিযোগ, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনার কারণে ব্যবসা আগেই সীমিত হয়ে গেছে| তার ওপর দিনভর বিদ্যুৎ না থাকায় জনজীবন যেমন বিপর্যস্ত, তেমনি ব্যবসা-বাণিজ্যেও পড়েছে নেতিবাচক প্রভাব| এতে লোকসানের আশঙ্কা বাড়ছে|

শহরের আল হামরা শপিং সিটির ব্যবসায়ী সাইফুল  বলেন, দিন রাত মিলে আমাদের প্রায় ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা জেনারেটর ব্যবহার করতে হয়। এতে আমাদের প্রতিদিন অতিরিক্ত প্রায় ১০০০ থেকে ২০০০ টাকা খরচ বেশি হচ্ছে। তাই আমাদের মতো ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবি জানাচ্ছি।

সিলেটের বন্দরবাজার এলাকার হাসান মার্কেটের ব্যবসায়ী বদরুল আলম বলেন, ঘণ্টায় ঘণ্টায় লোডশেডিং হচ্ছে| একদিকে সন্ধ্যার ৭টার ভেতরে দোকানপাট লাগানো নির্দেশনা রয়েছে| এই পরিস্থিতি ক্রেতারাও মার্কেটে আসছেন না|

সিলেটের একাধিক ছোট ও মাঝারী শিল্প উদ্যোক্তা বলছেন, অনিয়মিত বিদ্যুতের কারণে উৎপাদন পরিকল্পনা ভেঙে পড়ছে এবং রপ্তানি নিয়েও তৈরি হচ্ছে অনিশ্চয়তা। কারণ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সচল রাখা যায় না।

এ অবস্থা বেশিদিন চলতে থাকলে কারখানাগুলোতে শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টি হবে, বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করবে, শিল্প কারখানার মুনাফার উপর চাপ পড়বে, আয়- প্রবৃদ্ধি ও সরকারি আয়-রাজস্ব প্রাপ্তির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সিলেট নগরীর চেয়ে গ্রামীণ পর্যায়ে অবস্থা আরও ভয়াবহ| কোনো কোনো এলাকায় পুরো রাতেও মিলছেনা বিদ্যুৎ| দিনেও বিদ্যুৎ ২ ঘন্টা পর আসে ফের আধাঘন্টার মধ্যেই চলে যায়|

সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে তীব্র ডিজেল সংকট এবং যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনগুলো ঠিকমতো চালানো যাচ্ছে না, যার ফলে বোরো ধান কাটা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানির অভাবে অনেক মেশিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কৃষকরা তাদের পাকা ধান সময়মতো ঘরে তোলা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, জেলার বিভিন্ন হাওরে ধান কাটা শুরু হলেও পর্যাপ্ত হারভেস্টার মেশিন সচল না থাকায় অনেক কৃষক শ্রমিক সংকট ও সময়মতো ফসল কাটার অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। অনেক এলাকায় ধান কাটা থেমে গেছে বা ধীরগতিতে চলছে।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মদনপুর এলাকার কৃষক আবদুল্লাহ মিয়া জানান, তিনি প্রায় ৯০ কেয়ার (৩০ একর) জমিতে ধান চাষ করেছেন। তিনি বলেন, গত দুই দিনে কষ্ট করে কিছু ধান কাটতে পেরেছি। এখনও অনেক জমি বাকি। ধান পাকলেও কীভাবে কাটব চিন্তায় আছি।

একই এলাকার গোবিন্দপুরের কৃষক সাবেক ইউপি সদস্য ইকবাল আহমদ বললেন, হারভেস্টার মেশিনের মালিক-চালকরা বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) অনেকেই তেল নিতে এসে না পেয়ে ঘুরে গেছেন। পাম্পের লোকজন বলে দিয়েছে কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) প্রত্যয়ন আনতে হবে।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের হারভেস্টার মালিক আবদুল হক পাম্পে বিকেলে তেল নিতে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বলেন, বুধবার থেকে করচার হাওরে ধান কাটা শুরু করেছি। মেশিনে তেল ছিল। প্রথম দিন কেয়ারে (তিন কেয়ারে এক একর) ১৯০০ টাকা হিসাবে কাজ করেছি, দুই কেয়ার ধান কাটতে পেরেছি। বৃহস্পতিবার চার–পাঁচ কেয়ার কাটা হয়েছে। শুক্রবার আর মেশিনে তেল থাকবে না।

তিনি বলেন, তেল কিনতে পাম্পে গেলে তারা জানায় কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওর স্বাক্ষরযুক্ত স্লিপ লাগবে। বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটা থেকে এক ঘণ্টায় প্রথমে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার শনাক্তকরণ স্লিপ, পরে কৃষি কর্মকর্তা ও ইউএনওর স্বাক্ষরযুক্ত প্রত্যয়ন নিয়ে ২০০ লিটার তেলের অনুমতি পাই। এরপর শহরের ওয়েজখালির পাম্পে গেলে তারা জানায় ১০০ লিটারের বেশি তেল দেওয়া যাবে না। বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সেখানে তেল না পেয়ে ২১ কিলোমিটার দূরের দিরাই সড়কমোড়ের পাম্পে গিয়ে তেল নিতে হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এভাবে ঘুরে ঘুরে তেল নিলে কীভাবে মেশিন চালাব, আর কীভাবে ধান কাটব।

শুধু আবদুল হক নন, বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তেলের স্লিপ নেওয়া আটজন হারভেস্টার মালিককেই একইভাবে একাধিক পাম্পে ঘুরতে হয়েছে বলে জানা গেছে।

মালিক ও কৃষকরা জানান, এভাবে অফিস থেকে স্লিপ সংগ্রহের ঝামেলার কারণে অনেকেই আর তেল নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না, ফলে ধান কাটায় বিলম্ব হচ্ছে এবং কৃষকরা বিপাকে পড়ছেন। তাদের দাবি, নির্দিষ্ট সময়ে পাম্প বা ডিলার পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা ট্যাগ অফিসার উপস্থিত থেকে তেল সরবরাহের ব্যবস্থা করা উচিত।

এদিকে, তাহিরপুর উপজেলার বড়দল গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন জানান, তিনি দুটি হারভেস্টার মেশিন দিয়ে স্থানীয় কৃষকদের ধান কাটার কাজ করেন, যা থেকেই তার জীবিকা নির্বাহ হয় এবং অনেক কৃষকও নির্ভরশীল। কিন্তু চলতি মৌসুমে তীব্র ডিজেল সংকটে তার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একটি মেশিন পুরোপুরি বন্ধ এবং অন্যটি পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাবে স্বাভাবিকভাবে চালানো যাচ্ছে না। এতে তিনি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন এবং কৃষকরাও সময়মতো ধান কাটতে না পারায় উদ্বেগে রয়েছেন।

জামাল বলেন, আমার দুটি হারভেস্টার আছে। ডিজেলের কারণে একটি বন্ধ, আরেকটি সচল থাকলেও পুরো দিন চালাতে পারছি না। যা পাওয়া যায় তা অপ্রতুল। খোলা বাজারে ডিজেল পাওয়া যায় না, লুকিয়ে বিক্রি হলেও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তিনি জানান, ১০০ টাকার ডিজেল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বালিজুরি বাজারের ডিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বলা হয় তেল নেই। ফলে বাধ্য হয়ে অন্য বাজার থেকে বেশি দামে তেল আনতে হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে কৃষকের ধান কাটা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

একই এলাকার হারভেস্টার মালিক মো. রফিক উদ্দিন বলেন, এবার মেশিন নিয়ে আমরা চরম বিপদে আছি।

এদিকে দিরাই ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার কৃষকরাও একই ধরনের সংকটের কথা জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, শ্রমিক ও যন্ত্র দুটোই সংকটে পড়ায় ধান কাটার কাজ বিলম্বিত হচ্ছে।

শান্তিগঞ্জের হারভেস্টার মালিক আবিদুর রহমান টিপু বলেন, আমাদের চারটি মেশিন আছে। কিন্তু ডিজেল সংকটে সেগুলো ঠিকভাবে চালানো যাচ্ছে না। উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলায় বর্তমানে ৬০২টি কম্বাইন হারভেস্টার ও ১৫৫টি রিপার মেশিন রয়েছে। তবে জ্বালানি সমস্যার কারণে এসব যন্ত্রের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, জেলায় প্রকৃত কোনো জ্বালানি সংকট নেই। তবে নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার কারণে জ্বালানি বিতরণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতে পাম্প থেকে তেল দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনিক সমন্বয় অব্যাহত রয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সুনামগঞ্জে ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদ হয়েছে। আগাম বৃষ্টিপাতে ইতোমধ্যে এক হাজার ৩৩১ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী ১৫ মে’র মধ্যে পুরো জেলায় ধান কাটা সম্পন্ন হওয়ার আশা করা হচ্ছে।

সিলেটর পর্যটন শিল্পে লোডশেডিংয়ের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

সিলেটের রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ী সাহেদ আহমেদ বলেন, অনিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহের কারণে তারা লোকসানে পড়েছেন। অনেক সময় গ্রাহকরা অর্ডার দেওয়ার পর লোডশেডিং শুরু হলে তারা দোকান ছেড়ে চলে যান।

গোল্ডেন সিটি হোটেলের ম্যানেজার মিস্টু দত্ত বলেন, ঘন ঘন লোডশেডিং এবং সেইসঙ্গে বাজারে ডিজেল সংকটের কারণে জেনারেটর চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।

সিলেটে চেম্বারের সাবেক সভাপতি খন্দকার শিপার আহমদ বলেন, সিলেটের পর্যটনা খাত অপার সম্ভাবনাময়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করতে না পারলে দেশী-বিদেশী পর্যটকরা সিলেট বিমুখ হয়ে পড়বে। এর প্রভাব পড়বে সিলেটের সার্বিক অর্থনীতিতে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সিলেট বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমাম হোসেন জানান, লোডশেডিং শুধু সিলেট নয়, সারাদেশেই হচ্ছে| জাতীয় গ্রীডে চাহিদামতো বিদ্যুৎ না পাওয়ায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা কিছুটা বেড়েছে| তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ে উৎপাদন না বাড়লে এ পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব নয়|

সিলেটের পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পরেশ চন্দ্র মন্ডল বলেন, জাতীয়ভাবে সরবরাহ বৃদ্ধি না হলে স্থানীয়ভাবে লোডশেডিং কমানোর কোন সুযোগ নেই|

এক্সক্লুসিভ এর আরও খবর
সবুজ সিলেট রক্তে রাঙা

সবুজ সিলেট রক্তে রাঙা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গোলাপগঞ্জের ৭ শহীদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গোলাপগঞ্জের ৭ শহীদ

শহরতলীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বেহাল অবস্থা 

শহরতলীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বেহাল অবস্থা 

৩৪তম বর্ষের পদার্পন অনুষ্ঠানে বিরোধী দলীয় নেতা: জালালাবাদ কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, জনগণের মুখপত্র হোক

৩৪তম বর্ষের পদার্পন অনুষ্ঠানে বিরোধী দলীয় নেতা: জালালাবাদ কোনো রাজনৈতিক দলের নয়, জনগণের মুখপত্র হোক

সর্বশেষ সংবাদ
আজ ফের ১১ দলের লংমার্চ : দফা বেড়েছে, কর্মসূচিও বিস্তৃত
আজ ফের ১১ দলের লংমার্চ : দফা বেড়েছে, কর্মসূচিও বিস্তৃত
ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে কঠোর হচ্ছে শর্ত
ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হতে কঠোর হচ্ছে শর্ত
একাদশে শিক্ষার্থীশূন্য সিলেটের ১০ কলেজ
একাদশে শিক্ষার্থীশূন্য সিলেটের ১০ কলেজ
জয়নগরে এসএসসি A+ প্রাপ্ত ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
জয়নগরে এসএসসি A+ প্রাপ্ত ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা
জুড়ীতে সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে মা-মেয়ে আটক
জুড়ীতে সিএনজি চালক হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে মা-মেয়ে আটক
সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে শেষ ‘ইউথ লিডারশিপ ট্রেনিং’
সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে শেষ ‘ইউথ লিডারশিপ ট্রেনিং’
ডাকঘরের উদ্যোগে তিনমাস মেয়াদী কম্পিউটার কোর্সের পরীক্ষা সম্পন্ন
ডাকঘরের উদ্যোগে তিনমাস মেয়াদী কম্পিউটার কোর্সের পরীক্ষা সম্পন্ন
জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক
জাকির মজুমদারের মৃত্যুতে মিফতাহ্ সিদ্দিকীর শোক
নজরুল সাহিত্য ও সংস্কৃতির আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র : কয়েস লোদী
নজরুল সাহিত্য ও সংস্কৃতির আকাশে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র : কয়েস লোদী
নজরুল ছিলেন সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি : বদরুজ্জামান সেলিম
নজরুল ছিলেন সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি : বদরুজ্জামান সেলিম
শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় ব্রিটেনিয়া সুইমিংপুল বন্ধ
শাবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় ব্রিটেনিয়া সুইমিংপুল বন্ধ
শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ সন্তোষজনক নয়: আবু তালহা তোফায়েল
শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ সন্তোষজনক নয়: আবু তালহা তোফায়েল
চতুর্থ ধাপে শাহজালালের মাজারের টাকা গণনা কাল
চতুর্থ ধাপে শাহজালালের মাজারের টাকা গণনা কাল
ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় ফার্মেসীকে জরিমানা
ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখায় ফার্মেসীকে জরিমানা
বালাগঞ্জে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
বালাগঞ্জে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী গ্রেফতার
© 2019 dailyjalalabad.com
All Rights Reserved

সম্পাদক: মুকতাবিস উন নূর

কার্যালয়: কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্স (৩য় তলা) বন্দরবাজার, সিলেট
ফোন : 8802996634163, মোবাইল: বার্তা-01711-173428,
বিজ্ঞাপন : 01712-991855, সার্কুলেশন : 01686934010

Editor
Muqtabis Un Noor
Qudratullah Mosque Complex
Bondorbazar, Sylhet-3100.

ইমেইল ::
বার্তা : dailyjbad@gmail.com
বিজ্ঞাপন : jalalabadad@gmail.com
সাহিত্য : jalalabadshahitta@gmail.com
নারী পাতা : jalalabadnari@gmail.com
পর্যটন পাতা : Jalalabadtourism@gmail.com
ধর্মীয় পাতা : alokitojibonjb@gmail.com

Developed by: Web Design & IT Company in Bangladesh

Facebook
Go to top