তামাবিল দিয়ে ভারত পাঠানো হলো নারীর মরদেহ
প্রকাশিত হয়েছে : ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৫৪:৫৫ অপরাহ্ন

জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: ঢাকায় জরুরি অবতরণ করা ভারতীয় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা রোগী অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ভারতের ত্রিপুরায় পাঠানো হয়েছে। বুধবার দুপুরে সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়।
তামাবিল স্থলবন্দর কাস্টমস ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ বজলুর রশিদ জানান, প্রয়োজনীয় আইনি ও কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার দুপুরে অ্যাম্বুলেন্সযোগে অঞ্জনা ভৌমিকের মরদেহ তামাবিল স্থলবন্দরে আনা হয়। সেখানে দুই দেশের সীমান্ত ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে মরদেহটি হস্তান্তর করা হয়। নিহত নারীর সঙ্গে থাকা স্বজনেরাও তাঁর সঙ্গে ভারতে গেছেন বলে জানান তিনি।
তবে মরদেহের সঙ্গে থাকা চিকিৎসক ডা. ফিরোজ খান, প্যারামেডিক আজিম খান এবং দুই সঙ্গী সান্তা ভৌমিক ও দীপ জ্যোতি মিশ্রের ভারতে গমন ও হস্তান্তরের বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট তালিকায় তাঁদের সবার জাতীয়তা ভারতীয় বলে উল্লেখ রয়েছে।
গত ১৮ অক্টোবর ভারতের আগরতলা থেকে এক মুমূর্ষু রোগীকে নিয়ে বিচক্রাফ্ট কিং এয়ার সি৯০এ মডেলের একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কলকাতার উদ্দেশে যাত্রা করে। মাঝআকাশে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়োজাহাজটির কেবিনের চাপ কমে যায় এবং পেছনের দরজা আংশিক খুলে যায়। এ পরিস্থিতিতে পাইলট ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেন।
অবতরণের পর অসুস্থ নারী অঞ্জনা ভৌমিককে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে থাকা পাইলট, চিকিৎসক ও স্বজনসহ অন্য আরোহীরা অক্ষত ছিলেন বলে জানা যায়।
নিহত নারীর স্বজনেরা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সহযোগিতা করায় বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।






